রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ২
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও ভাটারায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানীর এই দুই এলাকায় আলাদা আলাদা সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। দ
Rana Plaza building collapse
শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যাচাইডেস্কে প্রকাশিত সব প্রতিবেদনের কালানুক্রম। ঘটনাটি 2013 সালের।
এই ক্ষুদ্র-কালানুক্রম সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন-ভিত্তিক তৈরি; প্রতিটি খণ্ড তারিখ ও সূত্রসহ যাচাই করা। এই সংরক্ষণাগার শুধু ঘটনাপঞ্জিতে থাকে — মূল সাইটের খবরের তালিকায় এগুলো আসে না।
ধসের ১৩তম বার্ষিকীতে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানায়, ধসের পর দায়ের করা ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটির বিচার এখনো চলমান; একমাত্র সম্পদ গোপনের দুদক মামলার রায় হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪২ জন আসামি; কিছু আসামি জামিনে, কেউ কেউ পলাতক। সোহেল রানা ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল থেকে কারাগারে।
সূত্র: The Business Standard
১২তম বার্ষিকীতে জানা যায়, হত্যা মামলায় ৫৯৪ সাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৯৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে; বর্তমানে ৩৮ আসামি, যাদের মধ্যে শুধু সোহেল রানা কারাগারে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ মে রাখা হয়।
সূত্র: Prothom Alo English
হাইকোর্টের স্টে প্রত্যাহারের পর ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবার শুরু হয়; এর আগে সাত আসামির আপিলের ফলে বিচার প্রায় পাঁচ বছর থেমে ছিল।
সূত্র: Prothom Alo English
কানাডীয় খুচরা কোম্পানি লবলা (জো ফ্রেশ)-র বিরুদ্ধে নিহত ও বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ মামলার শুনানি কানাডার সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করে — আদালত বলে, এখানে বাংলাদেশের আইন প্রযোজ্য এবং লবলার কর্তব্য-দায়িত্ব প্রমাণিত নয়।
সূত্র: Rana Plaza Never Again
নিজের সম্পদের হিসাব ঘোষণায় ব্যর্থতার দায়ে সোহেল রানাকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত। হত্যা মামলায় তিনি এখনো কারাগারে।
সূত্র: Wikipedia
ঢাকার জেলা ও দায়রা সেশন জজ আদালত হত্যা মামলায় ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়; তবে সাভারের মেয়র রেফায়েত উল্লাহসহ কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিলের পর বিচার দীর্ঘ বিলম্বিত হয়।
সূত্র: Prothom Alo English
সোহেল রানা ও আরও ১৭ জনের বিরুদ্ধে ভবন নির্মাণ কোড লঙ্ঘনের অভিযোগ গঠন করে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত; তবে উচ্চ আদালতে আপিলে বিচার থেমে যায়।
সূত্র: The Daily Star
সিআইডির সিনিয়র সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট বিজয় কৃষ্ণ কার মালিক সোহেল রানা, তার বাবা-মা আব্দুল খালেক ও মর্জিনাসহ আরও ৩৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।
সূত্র: The Daily Star
ধসের ১০০ দিন পর আহত শ্রমিক ও নিহতদের স্বজনরা সাভারে দুই মুষ্টি আকাশের দিকে উত্থিত একটি মূর্তির স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করে; পুলিশ একাধিকবার মূর্তি স্থাপন বাধার চেষ্টা করে। এটি এখনো বিপর্যয়ের একমাত্র স্মৃতিস্তম্ভ।
সূত্র: Wikipedia
রানা প্লাজায় কারখানার লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে অবহেলার অভিযোগে সাতজন সরকারি পরিদর্শককে সাময়িক বহিষ্কার ও অভিযুক্ত করা হয়।
সূত্র: Wikipedia
ধসের পর নির্ধারিত ডেডলাইনের মধ্যে এইচঅ্যান্ডএম, ইনডিটেক্স, সিঅ্যান্ডএ, প্রাইমার্ক, বেনেটনের মতো ৩০টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি অ্যাকর্ডে স্বাক্ষর করে; পরে ২২০টির বেশি ব্র্যান্ড এই আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তিতে অংশ নেয়, যা ১,৬০০টির বেশি কারখানাকে নিরাপদ করেছে।
সূত্র: Rana Plaza Never Again
ধসে চাপা পড়াদের উদ্ধারে ১৯ দিন ধরে চলা অভিযান শেষ হয়; নিশ্চিত মৃতের সংখ্যা ঘোষণা করা হয় ১,১৩৪ জন, আরও প্রায় ২,৫০০ আহত। ধসের পর পোশাকশিল্পে নিরাপত্তা সংস্কারের জোরদার দাবি তোলা হয়।
সূত্র: Wikipedia
চার দিনের তল্লাশির পর ধসের মালিক সোহেল রানা ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে বেনাপোল সীমান্তে গ্রেপ্তার হন। একই দিনে উদ্ধারস্থলে অগ্নিকাণ্ডের কারণে অনুসন্ধান সাময়িক বন্ধ রাখা হয়।
সূত্র: Wikipedia
ধসের দুই দিন পর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে গার্মেন্টস শ্রমিকরা বিক্ষোভে নামে; যানবাহন, বাণিজ্যিক ভবন ও কারখানা লক্ষ্যবস্তু হয়। পরদিন বাম রাজনৈতিক দল ও ১৮ দলীয় জোট আসামিদের গ্রেপ্তার-বিচার এবং ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা শনাক্তে স্বাধীন কমিশনের দাবি তোলে।
সূত্র: Wikipedia
ধসের পরদিন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভবন মালিক ও কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে ভবন নির্মাণ আইনের মামলা দায়ের করে; সংসদে প্রধানমন্ত্রী সোহেল রানা ও পাঁচ কারখানার মালিকের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন; পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
সূত্র: Wikipedia
সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে গার্মেন্টস থাকা নয়তলা রানা প্লাজা ভবন ধসে পড়ে; ভেতরে তখন প্রায় ৩,১২২ শ্রমিক ছিলেন। সন্ধান অভিযান শেষে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় ১,১৩৪, আহত প্রায় ২,৫০০ — যা আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভবন ধস ও পোশাকশিল্পের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। একই দিনে সাভার থানার উপ-পরিদর্শক ওয়ালি আশরাফ খান মালিক সোহেল রানা ও অন্যাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সূত্র: The Daily Star
সাভারের রানা প্লাজা ভবনে বড় ফাটল ধরা পড়ে; নিচতলার দোকান ও ব্যাংক বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু উপরের তলায় থাকা পাঁচটি গার্মেন্টস কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের পরের দিন আবার কাজে ফেরার নির্দেশ দেন। শ্রমিকদের এক মাসের বেতন হারানোর ভয় দেখানো হয়।
সূত্র: Rana Plaza Never Again
আমাদের 5টি প্রতিবেদন এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত — কালানুক্রমে সাজানো।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও ভাটারায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানীর এই দুই এলাকায় আলাদা আলাদা সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। দ
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর বহিষ্কৃত নেতা ও সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদ
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসে ১,১৩৪ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান — পোশাক শিল্পের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে পোশাক কারখানার নিরাপত্তা নিয়ে বড় আলোচনা ও সংস্কার শুরু হয়।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভারের রানা প্লাজা নামের আটতলা বাণিজ্যিক ভবনটি ধসে পড়ে। ধসে পোশাক কারখানার কর্মীদের অন্তত ১,১৩৪ জন নিহত হন — যা বিশ্ব পোশাক শিল্পের ইতিহাসে অন্যতম মারাত্মক দুর্ঘটনা।
১৯৮৬ সালের ২৮ জানুয়ারি নাসার চ্যালেঞ্জার স্পেস শাটল কক্ষপথে ওঠার ঠিক ৭৩ সেকেন্ডের মাথায় বিস্ফোরণ হয়ে যায়। সাত নভোচারীর সবাই প্রাণ হারান; তদন্তে সলিড রকেট বুস্টারের সিলিং বলা হয়।