অর্থনীতিবড় ঘটনাপরিকল্পিত

রানা প্লাজা ধস

Rana Plaza building collapse

শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যাচাইডেস্কে প্রকাশিত সব প্রতিবেদনের কালানুক্রম। ঘটনাটি 2013 সালের।

5টি সংবাদ সংগ্রহে আছে

কালানুক্রম

এই ক্ষুদ্র-কালানুক্রম সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন-ভিত্তিক তৈরি; প্রতিটি খণ্ড তারিখ ও সূত্রসহ যাচাই করা। এই সংরক্ষণাগার শুধু ঘটনাপঞ্জিতে থাকে — মূল সাইটের খবরের তালিকায় এগুলো আসে না।

2026

  1. ১৩ বছর: ছয় মামলার মধ্যে পাঁচটিই ঝুলে

    ধসের ১৩তম বার্ষিকীতে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানায়, ধসের পর দায়ের করা ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটির বিচার এখনো চলমান; একমাত্র সম্পদ গোপনের দুদক মামলার রায় হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪২ জন আসামি; কিছু আসামি জামিনে, কেউ কেউ পলাতক। সোহেল রানা ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল থেকে কারাগারে।

    সূত্র: The Business Standard

2025

  1. ১২ বছরেও বিচার অসম্পূর্ণ, ৯৩ জনের সাক্ষ্য

    ১২তম বার্ষিকীতে জানা যায়, হত্যা মামলায় ৫৯৪ সাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৯৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে; বর্তমানে ৩৮ আসামি, যাদের মধ্যে শুধু সোহেল রানা কারাগারে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ মে রাখা হয়।

    সূত্র: Prothom Alo English

2022

  1. ৫ বছর পর সাক্ষ্যগ্রহণ পুনরায় শুরু

    হাইকোর্টের স্টে প্রত্যাহারের পর ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবার শুরু হয়; এর আগে সাত আসামির আপিলের ফলে বিচার প্রায় পাঁচ বছর থেমে ছিল।

    সূত্র: Prothom Alo English

2019

  1. কানাডার সুপ্রিম কোর্টে ক্ষতিপূরণ মামলা বাতিল

    কানাডীয় খুচরা কোম্পানি লবলা (জো ফ্রেশ)-র বিরুদ্ধে নিহত ও বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ মামলার শুনানি কানাডার সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করে — আদালত বলে, এখানে বাংলাদেশের আইন প্রযোজ্য এবং লবলার কর্তব্য-দায়িত্ব প্রমাণিত নয়।

    সূত্র: Rana Plaza Never Again

2017

  1. দুদকের মামলায় সোহেল রানার ৩ বছরের কারাদণ্ড

    নিজের সম্পদের হিসাব ঘোষণায় ব্যর্থতার দায়ে সোহেল রানাকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত। হত্যা মামলায় তিনি এখনো কারাগারে।

    সূত্র: Wikipedia

2016

  1. হত্যা মামলায় ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

    ঢাকার জেলা ও দায়রা সেশন জজ আদালত হত্যা মামলায় ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়; তবে সাভারের মেয়র রেফায়েত উল্লাহসহ কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিলের পর বিচার দীর্ঘ বিলম্বিত হয়।

    সূত্র: Prothom Alo English

  2. ভবন কোড লঙ্ঘন মামলায় অভিযোগ গঠন

    সোহেল রানা ও আরও ১৭ জনের বিরুদ্ধে ভবন নির্মাণ কোড লঙ্ঘনের অভিযোগ গঠন করে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত; তবে উচ্চ আদালতে আপিলে বিচার থেমে যায়।

    সূত্র: The Daily Star

2015

  1. সিআইডির চার্জশিট: ৪১ জন

    সিআইডির সিনিয়র সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট বিজয় কৃষ্ণ কার মালিক সোহেল রানা, তার বাবা-মা আব্দুল খালেক ও মর্জিনাসহ আরও ৩৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

    সূত্র: The Daily Star

2014

  1. দুর্নীতি কমিশনের মামলা

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ভবন নির্মাণে ত্রুটিপূর্ণ নকশার অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

    সূত্র: Wikipedia

  2. হাইকোর্টে সোহেল রানার ছয় মাসের জামিন

    হাইকোর্ট সোহেল রানাকে ছয় মাসের জামিন দিলেও অন্যান্য মামলা ঝুলে থাকায় তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাননি।

    সূত্র: Wikipedia

2013

  1. ১০০ দিনে স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন

    ধসের ১০০ দিন পর আহত শ্রমিক ও নিহতদের স্বজনরা সাভারে দুই মুষ্টি আকাশের দিকে উত্থিত একটি মূর্তির স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করে; পুলিশ একাধিকবার মূর্তি স্থাপন বাধার চেষ্টা করে। এটি এখনো বিপর্যয়ের একমাত্র স্মৃতিস্তম্ভ।

    সূত্র: Wikipedia

  2. অবহেলায় সাত পরিদর্শক বহিষ্কার

    রানা প্লাজায় কারখানার লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে অবহেলার অভিযোগে সাতজন সরকারি পরিদর্শককে সাময়িক বহিষ্কার ও অভিযুক্ত করা হয়।

    সূত্র: Wikipedia

  3. অ্যাকর্ডে ৩০টির বেশি ব্র্যান্ডের স্বাক্ষর

    ধসের পর নির্ধারিত ডেডলাইনের মধ্যে এইচঅ্যান্ডএম, ইনডিটেক্স, সিঅ্যান্ডএ, প্রাইমার্ক, বেনেটনের মতো ৩০টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি অ্যাকর্ডে স্বাক্ষর করে; পরে ২২০টির বেশি ব্র্যান্ড এই আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তিতে অংশ নেয়, যা ১,৬০০টির বেশি কারখানাকে নিরাপদ করেছে।

    সূত্র: Rana Plaza Never Again

  4. ১৯ দিনের উদ্ধার অভিযান শেষ, মৃতের সংখ্যা ১,১৩৪

    ধসে চাপা পড়াদের উদ্ধারে ১৯ দিন ধরে চলা অভিযান শেষ হয়; নিশ্চিত মৃতের সংখ্যা ঘোষণা করা হয় ১,১৩৪ জন, আরও প্রায় ২,৫০০ আহত। ধসের পর পোশাকশিল্পে নিরাপত্তা সংস্কারের জোরদার দাবি তোলা হয়।

    সূত্র: Wikipedia

  5. সোহেল রানা বেনাপোল সীমান্তে গ্রেপ্তার

    চার দিনের তল্লাশির পর ধসের মালিক সোহেল রানা ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে বেনাপোল সীমান্তে গ্রেপ্তার হন। একই দিনে উদ্ধারস্থলে অগ্নিকাণ্ডের কারণে অনুসন্ধান সাময়িক বন্ধ রাখা হয়।

    সূত্র: Wikipedia

  6. শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক বিক্ষোভ

    ধসের দুই দিন পর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে গার্মেন্টস শ্রমিকরা বিক্ষোভে নামে; যানবাহন, বাণিজ্যিক ভবন ও কারখানা লক্ষ্যবস্তু হয়। পরদিন বাম রাজনৈতিক দল ও ১৮ দলীয় জোট আসামিদের গ্রেপ্তার-বিচার এবং ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা শনাক্তে স্বাধীন কমিশনের দাবি তোলে।

    সূত্র: Wikipedia

  7. রাজউকের মামলা ও সোহেল রানার গ্রেপ্তারের নির্দেশ

    ধসের পরদিন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভবন মালিক ও কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে ভবন নির্মাণ আইনের মামলা দায়ের করে; সংসদে প্রধানমন্ত্রী সোহেল রানা ও পাঁচ কারখানার মালিকের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন; পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

    সূত্র: Wikipedia

  8. রানা প্লাজা ধসে ১,১৩৪ জনের মৃত্যু

    সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে গার্মেন্টস থাকা নয়তলা রানা প্লাজা ভবন ধসে পড়ে; ভেতরে তখন প্রায় ৩,১২২ শ্রমিক ছিলেন। সন্ধান অভিযান শেষে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় ১,১৩৪, আহত প্রায় ২,৫০০ — যা আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভবন ধস ও পোশাকশিল্পের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। একই দিনে সাভার থানার উপ-পরিদর্শক ওয়ালি আশরাফ খান মালিক সোহেল রানা ও অন্যাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    সূত্র: The Daily Star

  9. ভবনে ফাটল দেখা দেয়, তবুও কাজের নির্দেশ

    সাভারের রানা প্লাজা ভবনে বড় ফাটল ধরা পড়ে; নিচতলার দোকান ও ব্যাংক বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু উপরের তলায় থাকা পাঁচটি গার্মেন্টস কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের পরের দিন আবার কাজে ফেরার নির্দেশ দেন। শ্রমিকদের এক মাসের বেতন হারানোর ভয় দেখানো হয়।

    সূত্র: Rana Plaza Never Again

যাচাইডেস্কে প্রকাশিত সংবাদ

আমাদের 5টি প্রতিবেদন এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত — কালানুক্রমে সাজানো।

2026

জাতীয়নিশ্চিত

রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ২

রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও ভাটারায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানীর এই দুই এলাকায় আলাদা আলাদা সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। দ

জাতীয়নিশ্চিত

‘গাজী নজরুল ইসলাম সম্পূর্ণ নির্দোষ, এটা একটা দুর্ঘটনা’, দাবি আইনজীবীর

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর বহিষ্কৃত নেতা ও সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদ

অর্থনীতিএকক/আংশিক

রানা প্লাজা ধস — ঘটনাপঞ্জি

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসে ১,১৩৪ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান — পোশাক শিল্পের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে পোশাক কারখানার নিরাপত্তা নিয়ে বড় আলোচনা ও সংস্কার শুরু হয়।

2013

ইতিহাসনিশ্চিত

রানা প্লাজা ধস ২০১৩: সাভারে ১ হাজার ১৩৪ জনের প্রাণহানি

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভারের রানা প্লাজা নামের আটতলা বাণিজ্যিক ভবনটি ধসে পড়ে। ধসে পোশাক কারখানার কর্মীদের অন্তত ১,১৩৪ জন নিহত হন — যা বিশ্ব পোশাক শিল্পের ইতিহাসে অন্যতম মারাত্মক দুর্ঘটনা।

1986

ইতিহাসনিশ্চিত

চ্যালেঞ্জার দুর্ঘটনা ১৯৮৬: মহাকাশযান প্রক্ষেপণের ৭৩ সেকেন্ডে বিস্ফোরণে সাত নভোচারীর মৃত্যু

১৯৮৬ সালের ২৮ জানুয়ারি নাসার চ্যালেঞ্জার স্পেস শাটল কক্ষপথে ওঠার ঠিক ৭৩ সেকেন্ডের মাথায় বিস্ফোরণ হয়ে যায়। সাত নভোচারীর সবাই প্রাণ হারান; তদন্তে সলিড রকেট বুস্টারের সিলিং বলা হয়।