ইতিহাসনিশ্চিত [B]

রানা প্লাজা ধস ২০১৩: সাভারে ১ হাজার ১৩৪ জনের প্রাণহানি

1 মিনিট পাঠ
রানা প্লাজা ধস ২০১৩: সাভারে ১ হাজার ১৩৪ জনের প্রাণহানি — ছবি: joiseyshowaa (BY-SA)
রানা প্লাজা ধস ২০১৩: সাভারে ১ হাজার ১৩৪ জনের প্রাণহানি — ছবি: joiseyshowaa (BY-SA)
এক নজরে
  • ২৪ এপ্রিল ২০১৩, সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে সাভারে আটতলা রানা প্লাজা ধসে পড়ে
  • নিহত অন্তত ১,১৩৪ জন; আহত ২,৫০০-র বেশি
  • অননুমোদিতভাবে অতিরিক্ত তলা তোলা ও নিম্নমানের নির্মাণ ধসের প্রধান কারণ
  • ধসের এক দিন আগে ফাটল দেখা গেলেও মালিকের চাপে শ্রমিকরা কাজে গিয়েছিলেন

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে ঢাকার অদূরে সাভারের রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। আট তলার ভবনটিতে পাঁচটি গার্মেন্টস কারখানার পাশাপাশি ব্যাংক ও দোকান ছিল। ধসে অন্তত ১,১৩৪ জন নিহত এবং ২,৫০০-র বেশি মানুষ আহত হন — যা ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী কারখানা দুর্ঘটনা।

কেন ধস

ভবনের নিচের তলাগুলো কারখানা ও ব্যাংকের জন্য নির্মিত হয়েছিল; পরে নিয়ম ভঙ্গ করে অতিরিক্ত তলা (সর্বোচ্চ ৯ম তলা পর্যন্ত) তোলা হয় এবং গার্মেন্টস কারখানায় ভাড়া দেওয়া হয়। নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ আছে। ধসের আগের দিন (২৩ এপ্রিল) ভবনে ফাটল দেখা দিলেও মালিকের চাপে শ্রমিকরা পরদিন কাজে গিয়েছিলেন; স্কুল-কলেজ যদিও বন্ধ রাখা হয়েছিল।

উদ্ধার ও প্রভাব

শ্রমিকদের বিশাল অংশ ধ্বংসাবশেষের নিচে আটকা পড়ে ছিল; স্বেচ্ছাসেবক ও সেনাবাহিনীর দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানে হাজার হাজার মানুষকে জীবিত ও আহত অবস্থায় বের করে আনা হয়। রানা প্লাজা ধসের পর ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর চাপে বাংলাদেশের তৈরি-পোশাক শিল্পে নিরাপত্তা সংস্কার ত্বরান্বিত হয় — অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স কর্মসূচি চালু হয়। ট্র্যাজেডিটি এখনো শ্রমিক নিরাপত্তা আন্দোলনের মাইলফলক।

সূত্র: উইকিপিডিয়া, বিবিসি নিউজ।

প্রশ্নোত্তর

রানা প্লাজা কোথায় অবস্থিত ছিল?

ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলায়; ওই এলাকায় হাজারো গার্মেন্টস কারখানা আছে।

এরপর কী সংস্কার হয়েছে?

আন্তর্জাতিক শ্রমিক নিরাপত্তা চুক্তি (অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স) ও কারখানা-পরিদর্শন কর্মসূচি চালু হয়, যা দেশের পোশাক কারখানার নিরীক্ষায় গভীর প্রভাব ফেলে।