রানা প্লাজা ধস: কী ঘটেছিল, বিচার কোথায় দাঁড়িয়ে

- ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে নয়তলা ভবনটি ধসে ১,১৩৪ জনের মৃত্যু হয়, আহত প্রায় ২,৫০০
- আগের দিন ফাটল দেখা দেওয়ার পর নিচতলার দোকান বন্ধ হলেও পাঁচ গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিকদের কাজে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়
- ১৩ বছর পর ছয় মামলার মধ্যে পাঁচটির বিচার এখনো অসম্পূর্ণ
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভারের রানা প্লাজা ভবন ধসে পড়ে। ভেতরে তখন প্রায় ৩,১২২ জন গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলেন। ১৯ দিনের উদ্ধার অভিযান শেষে নিশ্চিত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১,১৩৪ জন, আহত হন আরও প্রায় ২,৫০০ জন।
ধসের আগের দিন, ২৩ এপ্রিল ভবনে বড় ফাটল ধরা পড়ে। নিচতলার দোকান ও ব্যাংক বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু উপরের তলার পাঁচটি গার্মেন্টস কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের পরের দিন কাজে আসার নির্দেশ দেন। পরদিন সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে নয়তলা ভবনটি ধসে পড়ে।
ধসের পর যা ঘটে
ধসের পরদিন রাজউক ভবন মালিক ও কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করে। চার দিনের তল্লাশির পর ভবন মালিক সোহেল রানা ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে ২৮ এপ্রিল বেনাপোল সীমান্তে গ্রেপ্তার হন। ধসের প্রতিবাদে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক বিক্ষোভ হয়। ১৫ মে ৩০টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড পোশাক কারখানার নিরাপত্তা চুক্তি অ্যাকর্ডে স্বাক্ষর করে।
বিচার কোথায় দাঁড়িয়ে
২০১৫ সালের মে মাসে সিআইডি ৪১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে হত্যা মামলায় ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়। ২০১৭ সালে দুদকের মামলায় সোহেল রানার তিন বছরের কারাদণ্ড হয়। কিন্তু ১২ বছর পূর্তিতে জানা যায়, ৯৩ জনের সাক্ষ্য হলেও বিচার অসম্পূর্ণ। ১৩ বছর পূর্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছয় মামলার মধ্যে পাঁচটিই এখনো ঝুলে আছে।
এই ঘটনার তারিখভিত্তিক পূর্ণ কালানুক্রম পাবেন রানা প্লাজা ধসের ঘটনাপঞ্জি পাতায়।
মন্তব্য দেখুন / লিখুন
মন্তব্য লিখতে চাইলে নিচের ঘরে লিখুন। প্রতিটি মন্তব্য যাচাই করার পরেই প্রকাশিত হয়।





