২৫ এপ্রিল ২০১৫ নেপালের ভূমিকম্প: গোর্খা অঞ্চলে ৭.৮ মাত্রা, প্রায় ৯ হাজার নিহত

- ২৫ এপ্রিল ২০১৫, ১১টা ৫৬ মিনিটে (স্থানীয়) ৭.৮ মাত্রা; উৎসস্থল গোর্খা জেলা, গভীরতা ৮.২ কিমি
- ০৪০ সেকেন্ড ধরে কাঁপুনি; কাঠমান্ডু উপত্যকাসহ নেপাল, ভারত, চীন, বাংলাদেশে অনুভূত
- নেপালে ৮,৮৫৭ নিহত; ভারত-চীন-বাংলাদেশ মিলিয়ে মোট ৮,৯৬৪; আহত প্রায় ২২ হাজার
- ৩৫ লক্ষ মানুষ গৃহহীন; ৭ লাখের বেশি বাড়ি ধ্বংস; ধারাহারা টাওয়ার ও ইউনেস্কো ঐতিহ্য ক্ষতিগ্রস্ত
২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল দুপুর ১১টা ৫৬ মিনিটে নেপালের মাঝ বরাবর গোর্খা জেলায় ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মাত্র ৮.২ কিলোমিটার গভীরে; তাই এর ধ্বংসাত্মক শক্তি পৃষ্ঠে পুরো দমে অনুভূত হয়। কাঁপুনি প্রায় ৫০ সেকেন্ড স্থায়ী হয় এবং নেপাল ছাড়িয়ে উত্তর ভারত, বাংলাদেশ, চীন ও ভুটান পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষয়ক্ষতি
কাঠমান্ডু শহরসহ পুরো মধ্য নেপাল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। বাসভবন, স্কুল ও ইউনেস্কোর ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ — এমনকি বিখ্যাত ধারাহারা টাওয়ার — ধসে পড়ে। দেশজুড়ে ৭ লাখের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয় এবং ৩৫ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়। পাহাড়ি ঢালে ভূমিধসও বহু গ্রাম বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
প্রাণহানি
নেপালে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ৮,৮৫৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়; ভারত, চীন ও বাংলাদেশ মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮,৯৬৪। আহত ২১,৯৫২-এর বেশি। গ্রামের মানুষ বাইরে কাজে থাকায় অনেক প্রাণহানি এড়ানো যায় বলে উল্লেখ করা হয়।
পুনর্বাসন
বিশ্বের ৩০-এর বেশি দেশ ও সংস্থা ত্রাণে অংশ নেয়; দীর্ঘ পুনর্বাসন ও ভূমিকম্প-সহনশীল নির্মাণ নীতির পথ শুরু হয়। নেপালের এই দুর্ঘটনা হিমালয় অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকির বাস্তব প্রমাণ হিসেবে ইতিহাসে থেকে যায়।
সূত্র: উইকিপিডিয়া, ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে।
প্রশ্নোত্তর
ভূমিকম্পে কত মানুষ নিহত হন?
নেপালে ৮,৮৫৭ এবং ভারত-চীন-বাংলাদেশে আরও ১০৭; মোট ৮,৯৬৪। আহত ২১,৯৫২-এর বেশি।
কাঠমান্ডুর ক্ষতি কেমন ছিল?
শহরের অনেক প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভসহ ধারাহারা টাওয়ার ধসে পড়ে; তবে শহরের তুলনায় গ্রামীণ এলাকায় মৃত্যু বেশি ছিল।