মতামত/বিশ্লেষণযাচাই চলছে

রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তি ও নবাব সলিমউল্লাহ

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তি ও নবাব সলিমউল্লাহ
এক নজরে
  • রবীন্দ্রনাথ ও সলিমউল্লাহ উভয়েই তখন উপমহাদেশব্যাপী বিখ্যাত নন: রবীন্দ্রনাথ কবি ও গল্প উপন্যাসের লেখক হিসেবে খ্যাতিমান সাহিত্যসমাজে, সাধারণের মধ্যে তত নন; সলিমউল্লাহ সরকারি চাকুরে, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, ময়মনসিংহে পোস্টিং
  • বঙ্গভঙ্গের সময়ই রবীন্দ্রনাথ ও সলিমউল্লাহ উভয়েই জনজীবনে বিশেষ করে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন
  • ঢাকার নবাব পরিবারের কেউ কেউ কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮১৭-১৯০৫) ও নবাব আহসানউল্লাহর (১৮৪৬-১৯০১) জীবদ্দশায় রবীন্দ্রনাথ যখন ১৮৯৮–তে ঢাকায় আসেন বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসের সম্মেলনে যোগ দিতে, তখন নবাবদের আতিথ্য গ্রহণ করলেও খাজা সলিমউল্লাহর (১৮৭১-১৯১৫) সঙ্গে কবির সাক্ষাৎ হয়নি।

২০০৫ সালের ৬ মে র সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত এই নিবন্ধ এত দিন শুধু ছাপা কাগজের পাতাজুড়ে ছিল, আজ অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো . শ্রেণিগত সামাজিক অবস্থানের কারণে ঢাকার নবাবদের সঙ্গে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরদের হৃদ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল উনিশ শতক থেকেই।

একজন বঙ্গভঙ্গের পক্ষের প্রধান নেতা, অন্যজন বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে রাজপথের মিছিলে।

১৮৯৮ সালে কংগ্রেসও কোনো বিরাট গণসংগঠন নয়—রাজা-মহারাজা, উকিল-ব্যারিস্টার, বিত্তশালী-অভিজাত শ্রেণির এক সমিতি মাত্র।

উভয় দিকের ভালোবাসায় কোনো খাদ ছিল না; কিন্তু তাঁদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন।

পূর্ববঙ্গ ও আসাম নতুন প্রদেশ গঠনের বিরোধিতা করে কবি বক্তৃতা করছেন, প্রবন্ধ লিখছেন, মিছিল করছেন, প্রতিবাদ সমাবেশে গাইছেন গান: ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।

’ যাঁরা বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করেছেন, তাঁরাও তাঁদের সোনার বাংলাকে ভালোবেসেছেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।