মতামত/বিশ্লেষণযাচাই চলছে

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় দরকার

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় দরকার
এক নজরে
  • এ নির্দেশিকার আওতায় কোনো কোম্পানি প্লাস্টিক আমদানি ও পণ্য উৎপাদনে প্লাস্টিকের ব্যবহার করলে সেই বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় ওই কোম্পানিকে দায়িত্ব নিতে হবে
  • প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং প্লাস্টিক বর্জ্যের যথাযথ ব্যবস্থাপনা এককভাবে করা সম্ভব নয়
  • প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহার নিশ্চিতে উৎপাদনকারী, ভোক্তা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সঠিক সমন্বয় দরকার

‘প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর-২০২৬)’ শীর্ষক বৈঠকের আয়োজন করে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও।

উৎসস্থলে বর্জ্য আলাদা করা এবং বর্জ্য সংগ্রহে নিয়োজিত অনানুষ্ঠানিক খাতকে মূলধারায় আনতে হবে।

গত আগস্টে পরিবেশ অধিদপ্তর প্লাস্টিক বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব বা ইপিআর–২০২৬ নামের একটি নির্দেশিকা তৈরি করে।

একই সঙ্গে প্লাস্টিকের উৎপাদন, ভোগ ও আমদানির সঠিক উপাত্তের ভিত্তিতে একটি পথনকশা করা দরকার।

’ প্লাস্টিক দূষণ কমিয়ে এর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর–২০২৬) প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ইপিআরের সবাই প্রশংসা করছে।

জাতিকে প্লাস্টিক দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে যা যা করা, তার সবটুকু করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।

১৯৯০ থেকে ২০১৮ সাল—এই ২৮ বছরে প্লাস্টিকের ব্যবহার বেড়েছে ৮০ গুণ।

বুড়িগঙ্গার তলদেশে ৬ থেকে ৮ ফুট প্লাস্টিকের স্তর জমে আছে।

জনবল বাড়িয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।

এতে সহযোগিতা করে সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত ওয়াটারএইড ও সুইসকন্ট্যাক্ট কনসোর্টিয়ামের ‘গো–ফর–ইমপ্যাক্ট’ কর্মসূচি।

গতকাল বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা উঠে আসে।

বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।