মতামত/বিশ্লেষণযাচাই চলছে

প্রাচীন সাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ এক কবি-সাধকের নোবেল–যাত্রা: অ্যান কারসন ও তাঁর লাল ডানার কথকতা

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
প্রাচীন সাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ এক কবি-সাধকের নোবেল–যাত্রা: অ্যান কারসন ও তাঁর লাল ডানার কথকতা
এক নজরে
  • রেইক্যাভিকের ‘এগিসসিডা’ নামীয় উপকূলবর্তী এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে এই দম্পতি বছরের একটা দীর্ঘ সময় কাটিয়ে থাকেন
  • যে নম্বর থেকে ফোনকলটা এসেছিল, সেটি তাঁর চোখে পড়েছে

প্রাচীন সাহিত্যের নিবিড় পাঠ, অনুবাদ ও নিরীক্ষাধর্মী সৃজনে তিনি নির্মাণ করেছেন অতীত ও বর্তমানের এক অনন্য সেতু।

’ ইনগ্রিদ কার্লবার্গ অ্যান কারসনকে জানালেন, ২০২৬ সালের সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার তাঁকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সাগরের মধ্যে আগ্নেয়গিরিপ্রসূত আর সাগরে বহমান গ্ল্যাসিয়ারে পরিবৃত এই ছোট নিরুপদ্রব দেশটিতে থাকতে তাঁর ভালো লাগে।

প্রাচীন গ্রিক পুরাণের এক দানবকে যিনি আধুনিক মানুষের প্রেম, নিঃসঙ্গতা ও আত্মপরিচয়ের প্রতীকে রূপ দিয়েছেন, সেই অ্যান কারসনের সাহিত্যভুবন স্বতন্ত্র ও বিস্ময়কর।

বসার ঘরের মেটে রঙের দেয়ালের জানালায় দাঁড়ালে আইসল্যান্ডের ধূসর পটভূমি ও আটলান্টিক মহাসাগর নজরে আসে।

ঘরের জানালায় আছড়ে পড়ছে উত্তর মেরু থেকে ছুটে আসা হিমশীতল বাতাসের একটানা শব্দোচ্ছ্বাস।

থার্মোমিটারের কাঁটায় তাপমাত্রা যতটুকু দেখাচ্ছে, বাত্যাপ্রবাহের কারণে ঠান্ডাটা তার চেয়ে বেশি।

রান্নাঘরের গোল টেবিলে বসে অ্যান কারসন চা আর বিস্কুট খাচ্ছিলেন।

অলস চোখে তাকিয়ে দেখলেন, মেঝেটা একটু অপরিচ্ছন্ন হয়ে আছে—কিছু ধুলাবালু, বিস্কুটের কিছু গুঁড়া ছিটকে পড়েছে।

’ . আইসল্যান্ডের রাজধানী শহর রেইক্যাভিকে নিজের বাড়ি আছে কানাডার প্রবীণ কবি, গবেষক ও অনুবাদক অ্যান কারসনের।

অ্যান কারসন ইতিমধ্যে আইসল্যান্ডের নাগরিকত্বও নিয়েছেন, যাকে বলে দ্বৈত নাগরিকত্ব।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।