ক্রেতারা এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিচক্ষণ
- তানভীর আহমেদ: আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ক্রেতার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পদ্ধতিতে
- ফ্ল্যাট বিক্রি এখন আর শুধু ‘বর্গফুট’ বিক্রি নয়, জীবনযাপনের একটি অভিজ্ঞতা বিক্রি
- শুধু ঠিকানা বা বর্গফুট নয়, আলো–বাতাস, নিরাপত্তা, যাতায়াত, রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ইত্যাদি মিলিয়ে একটি প্রপার্টির মূল্য বিচার করা জরুরি হয়ে উঠেছে
গত পাঁচ বছরে ঢাকার আবাসন ক্রেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন কী দেখছেন—ক্রেতার আচরণ, ফ্ল্যাটের আকার, অবস্থান নাকি দামের ক্ষেত্রে পরিবর্তনটি বেশি?
তানভীর আহমেদ: ১৯৮৮ সালে যাত্রার শুরু থেকেই আমাদের দর্শন ছিল মানুষের জন্য নিরাপদ ও ব্যবহারযোগ্য আবাসন তৈরি করা।
তানভীর আহমেদ: এটি মূল ঢাকা থেকে সরে যাওয়া নয়; বরং পরিকল্পিত আবাসনে আমাদের উপস্থিতি বাড়ানো।
শেল্টেক্ মূল ঢাকার পাশাপাশি পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প জলসিঁড়িতে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে।
জলসিঁড়ির পরিকল্পিত সড়ক, উন্মুক্ত পরিসর ও সবুজ পরিবেশে সমন্বিতভাবে আবাসন গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।
ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, পারিবারিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং পরিকল্পিত পরিবেশকে আমরা একসঙ্গে গুরুত্ব দিচ্ছি।
আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো ভিন্ন ভিন্ন চাহিদার সঙ্গে দামে ভারসাম্য রেখে নির্মাণ মান ও নিরাপত্তায় ছাড় না দিয়ে আধুনিক প্রকল্প নির্মাণ করা।
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে শেল্টেক্ এই বিষয়গুলো কীভাবে দেখে থাকে?
আমাদের কাছে ক্রেতার অভিজ্ঞতা হ্যান্ডওভারের পর থেকেই আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





