মতামত/বিশ্লেষণযাচাই চলছে

প্রণমহি বঙ্গমাতা: ঢাকার মাজারে গাজির গান

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
প্রণমহি বঙ্গমাতা: ঢাকার মাজারে গাজির গান
এক নজরে
  • দেখি ধুতি পরা এক বৃদ্ধ গায়েন সাদা পাঞ্জাবি গায়ে চড়িয়ে পরনের সাদা ধুতির একটি আঁচল এক হাতে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে অন্য হাতে চামর দুলিয়ে নেচে নেচে ঠিকই গাজির গান গাইছেন
  • একসময় প্রায় নিয়মিতভাবেই ঢাকার বিভিন্ন মাজারে ঘুরেছিলাম

২০০৫ সালের ৭ অক্টোবর র সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত ‘প্রণমহি বঙ্গমাতা: ঢাকার মাজারে গাজির গান’ শিরোনামে সাইমন জাকারিয়ার এ লেখাটি আজ অন্য আলো পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।

২০০২ খ্রিষ্টাব্দের আগস্টের এক সন্ধ্যায় শাহ আলীর মাজারের প্রধান গেট দিয়ে ঢুকে কিছুক্ষণের জন্য একটি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে লালনের গান শুনে নিলাম, ‘পারে কে যাবি নবীর নৌকাতে আয়…।

সে সময় ঢাকার যে মাজারটির চরিত্র আমাকে সব থেকে অধিক আকর্ষণ করেছিল, সেটি মিরপুর এক নম্বরে অবস্থিত হজরত শাহ আলীর মাজার।

’ তারপর পশ্চিম দিকের রাস্তা ধরে হেঁটে জলাশয় পার হয়ে পীর-ভক্তদের একেকটি আসরে গিয়ে জিকির আর ভক্তির গান শুনে শুনে মাজারের মূল উঠানে ফিরে আসি।

এবারে মাজার প্রাঙ্গণের মূল উঠানে বসা অসংখ্য আসরের মধ্যে হঠাৎ গাজির আশা পোতা একটি আসর দেখে ছুটে আসি তার দিকে।

মারফতি বিশ্বাসের আর ধ্যানের এই মাজারে আমি বৃহস্পতিবার এলেই দশাগ্রস্তের মতো ছুটে যেতাম।

শুনতাম গান: ‘আল্লাহ নবীর নাম লইয়া আসরেতে দাঁড়াইলাম ; বিসমিল্লাহ বলিয়া বুকের জবান খুলিলাম…।

’ . আমি লক্ষ করে দেখেছি, শাহ আলীর মাজারে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের ভক্তের উপস্থিতি।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।