‘হঠাৎ বৃষ্টি’র মতো সিনেমাকে চাপ মনে করিনি

- বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দিনের পর দিন, কখনো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুশীলন করেছি
- বরং দর্শক হঠাৎ বৃষ্টিকে যেভাবে দেখেছেন, যেভাবে অনুভব করেছেন, সেই জায়গাটা মাথায় রেখেই নতুন করে দীপাকে বোঝার চেষ্টা করেছি
‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’র সঙ্গে ২৮ বছর আগের জনপ্রিয় ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র আবেগ জড়িয়ে আছে।
রাদিফা নারমিন : সত্যি বলতে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র মতো মাইলফলক সিনেমাকে চাপ মনে করিনি।
রাদিফা নারমিন : আরশিনগর থিয়েটারের সিদ্ধার্থ আর স্পর্ধার গোলমাথা আর চোখামাথা আমার অভিনয়ের ভিত্তি গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
শুনলাম, তানভীর মোকাম্মেলের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’-এ দুলি চরিত্রে অভিনয় করছেন।
রাদিফা নারমিন : দুলির মতো একটা চরিত্রে কাজ করা আমার জন্য অনেক বড় সুযোগ।
প্রথম সিনেমা মুক্তির আগেই তানভীর মোকাম্মেলের পরিচালনায় দ্বিতীয় সিনেমায় কাজ শুরু করেছে দ্বাদশ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী।
রাদিফা নারমিন : অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় মায়ের হাত ধরে প্রথম থিয়েটারের সঙ্গে পরিচয়।
প্রথমবার মঞ্চে নাচার অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে নাচই যেন আমাকে বিকশিত হতে সাহায্য করেছে।
রেজা আরিফ স্যার, সৈয়দ জামিল আহমেদ স্যার, মোহসিনা (আক্তার) ম্যাডাম ও আমার পরিচালকদের কাছ থেকে থিয়েটারের কৌশল, শরীরী অভিব্যক্তি ও মঞ্চে উপস্থিতির অনেক কিছু শিখেছি।
চরিত্রটার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল তানভীর মোকাম্মেল স্যার এবং চিত্রলেখা গুহ ম্যামের গ্রুমিং সেশনের মাধ্যমে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





