দুর্যোগ প্রস্তুতিতে অলক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন আলতারা

- গহিন চরের মানুষ শীতের সবজি হিসেবে বন্যার পানির পর জমিতে সেই মিষ্টিকুমড়ার বীজ বুনে দেন
- দীর্ঘদিন ধরে চাষ করা স্থানীয় ধান, ডাল ও শাকসবজির জাত সংরক্ষণের মাধ্যমে কৃষির বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়তা করা যায়
- অমাবস্যা কটালের জন্য আমরা কি প্রস্তুত . আলতাবুরা কেন বীজ সংরক্ষণ করেন বাংলাদেশে বন্যা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার কারণে কৃষকের ফসল এবং পরবর্তী মৌসুমের বীজ নষ্ট হতে পারে
যমুনার চরে একবার মিষ্টিকুমড়ার বাম্পার ফলনের খবর শুনে আর ছবি দেখে উত্তেজিত হয়ে ছুটে গিয়েছিলাম সেখানে।
বীজ বিনিময়, ভাগাভাগি এবং প্রতিবেশীদের সহায়তার মাধ্যমে দুর্যোগের পর কৃষি পুনরুদ্ধারের একটি স্থানীয় নেটওয়ার্কও গড়ে উঠতে পারে।
’ আমাদের সঙ্গে থাকা কৃষিবিদ হালিম শেখও জানালেন, বিশাল আকারের এই কুমড়া সংরক্ষণযোগ্য নয়।
এ পরিস্থিতিতে নারীদের সংরক্ষিত বীজ কৃষি পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বন্যায় ফসল নষ্ট হলেও নিরাপদে সংরক্ষিত বীজ থাকলে পরবর্তী উপযুক্ত মৌসুমে নতুন করে চাষ শুরু করা সহজ হয়।
এতে বাইরের উৎস থেকে বীজ সংগ্রহের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমে।
আমরা জানি, বীজ সংরক্ষণ নিজে থেকেই দুর্যোগের ক্ষতি ঠেকাতে পারে না।
বীজ নিরাপদে রাখা, উপযুক্ত জাত নির্বাচন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং সঠিক সময়ে বপনের সুযোগ—সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনা করতে
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





