ইতিহাসনিশ্চিত [B]

পদ্মা সেতু উদ্বোধন ২০২২: নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু

1 মিনিট পাঠ
পদ্মা সেতু উদ্বোধন ২০২২: নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু — ছবি: Al Jazeera — PM Hasina opens Bangladesh longest bridge (2022)
পদ্মা সেতু উদ্বোধন ২০২২: নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু — ছবি: Al Jazeera — PM Hasina opens Bangladesh longest bridge (2022)
এক নজরে
  • ২৫ জুন ২০২২, মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টে পদ্মা সেতু রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্বোধন হয়
  • দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার; মূল ব্যয় বরাদ্দ প্রায় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা
  • ২০১২ সালে দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্বব্যাংক ঋণ প্রত্যাহার করে; বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ সম্পন্ন করে
  • নিচে সড়ক ও ওপরে রেল — দুই স্তরের সেতুটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ বদলে দিয়েছে

২০২২ সালের ২৫ জুন রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্বোধন হয় পদ্মা সেতু — বাংলাদেশের ইতিহাসের দীর্ঘতম সেতু। মাওয়া ও জাজিরার মধ্যকার ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি পদ্মা নদীর প্রকৃত নির্যাতিত বৃহত্তম সেতু হিসেবে বিশ্বে পরিচিত।

নির্মাণের পথ

২০১১-১২ সালে বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগ এনে সেতুর জন্য ধার্যকৃত ঋণ প্রত্যাহার করে নেয়, যা নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক চলে। বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় এবং ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ওই এলাকায় নির্মাণকাজ শুরু হয়। চূড়ান্ত ব্যয় বরাদ্দ প্রায় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। দুই স্তরের সেতুতে নিচে সড়ক (৪ লেন) ও ওপরে ডেক রেলপথের জন্য তৈরি; পরবর্তী ধাপে রেল চলাচল চালু হয়।

গুরুত্ব

উদ্বোধনের দিন থেকেই সেতুটির টোল আদায় শুরু হয়। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যাপকভাবে ছোট হয়ে যায়, পণ্য পরিবহন ও পর্যটনের গতি বাড়ে। নিজস্ব অর্থায়নে এই সেতু নির্মাণকে দেশের সক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

সূত্র: উইকিপিডিয়া, আল জাজিরা, প্রথম আলো। সেতুটি ৪২টি পিয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং এর স্প্যানগুলো বিশ্বের দীর্ঘতম পাওয়ার-ইন-সেল্ফ ধরনের। সড়কের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ওপরে রেল চলবে; এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পণ্য ও পর্যটনের গতিও বেড়েছে।

প্রশ্নোত্তর

পদ্মা সেতু কোথায় অবস্থিত?

ঢাকা বিভাগের মাওয়া (মুন্সীগঞ্জ) ও শরীয়তপুরের জাজিরার মাঝে পদ্মা নদীর উপর।

সেতুটি কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

রাজধানীর সঙ্গে দেশের ২১টি জেলার সরাসরি সড়ক-রেল যোগাযোগ স্থাপন করে এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে গতি এনেছে।