ঢাকা মেট্রোরেল উদ্বোধন ২০২২: বাংলাদেশের প্রথম পাতাল-ধরনের গণপরিবহন

- ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ উদ্বোধন; পরদিন ২৯ ডিসেম্বর থেকে উত্তরা উত্তর-আগারগাঁও (১১.৭৩ কিমি, ৯ স্টেশন) রুটে জনসাধারণের চলাচল শুরু
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ও সবচেয়ে আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা
- দেশের যোগাযোগ ইতিহাসে ঢাকার ট্রাফিক কমানোর লক্ষ্যে ওই প্রকল্পের গুরুত্ব অনেক
- পরবর্তী ধাপে আগারগাঁও-মতিঝিল-কমলাপুর পর্যন্ত রুট সম্প্রসারণ হয়
২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল উদ্বোধন হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তরা উত্তর স্টেশনে উদ্বোধন করেন; পরদিন ২৯ ডিসেম্বর থেকে উত্তরা উত্তর-আগারগাঁও রুটে জনসাধারণের জন্য যাত্রী পরিবহন শুরু হয়।
এমআরটি লাইন-৬
এমআরটি লাইন-৬ নামের প্রথম ধাপটি ১১.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ, স্টেশন ৯টি — উত্তরা উত্তর, উত্তরা মধ্য, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁও। প্রকল্পের মূল অর্থায়ন এসেছে জাপানের জে আইসিএ ঋণ থেকে। ঢাকার যানজট কমানোর স্বপ্নে নির্মিত এই মেট্রো আধুনিক প্রযুক্তি ও ড্রাইভারলেস ধাঁচের ট্রেনে সজ্জিত।
সম্প্রসারণ
উদ্বোধনের পর দৈনিক যাত্রী সংখ্যা দ্রুত লাখ ছাড়িয়ে যায়। পরবর্তী ধাপে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল ও কমলাপুর পর্যন্ত রুট সম্প্রসারিত হয়। ঢাকা মেট্রোরেল দেশের প্রথম নির্ভরযোগ্য দ্রুত-গতির গণপরিবহন হিসেবে ভাবমূর্তি গড়েছে; ভবিষ্যতে এমআরটি-১সহ আরও রুট থাকবে।
সূত্র: উইকিপিডিয়া, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ঢাকা ট্রিবিউন। স্টেশনগুলোর প্রতিটিতে এস্কেলেটর, লিফট, টিকিট মেশিন ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে; ট্রেনগুলো ক্যাবিন ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণে চলে। ব্যক্তিগত গাড়ি নির্ভরতা কমিয়ে ঢাকার গণপরিবহনে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে।
প্রশ্নোত্তর
প্রথম ধাপে কয়টি স্টেশন?
উত্তরা উত্তর, উত্তরা মধ্য, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁও — মোট ৯টি স্টেশন।
মেট্রোরেলের দৈনিক যাত্রী সংখ্যা কেমন?
চালুর পর থেকেই ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত লাখের বেশি যাত্রী পরিবহন করতে থাকে প্রকল্পটি।