রাজনীতিযাচাই চলছে

মেজর আখতারুজ্জামান: একের পর এক অবস্থান বদল, রাজনৈতিক জীবন ‘বৈপরীত্যে’ ভরা

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
মেজর আখতারুজ্জামান: একের পর এক অবস্থান বদল, রাজনৈতিক জীবন ‘বৈপরীত্যে’ ভরা
এক নজরে
  • ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাস ছয়েক আগে ক্ষমতাচ্যুত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছিলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান
  • ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে কিশোরগঞ্জে স্থানীয় সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াতে ইসলামীকে ‘রগ কাটার দল’ আখ্যা দিয়ে দলটির বিষয়ে নেতা-কর্মীদের সাবধান করেছিলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান
  • কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান যখন চলছিল, তখন ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক একটি টক শোতে অংশ নিয়ে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান বলেছিলেন, ‘সমস্ত রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, জামায়াত এটাতে (আন্দোলন) ইনভল্ভ (যুক্ত)।

’ কিন্তু অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতিতে তিনি যোগ দিয়েছেন জামায়াতে, যে দলটি তাদের সভা-সমাবেশ, বক্তৃতা-বিবৃতিতে ‘জুলাই’ নিয়ে বেশ সরব তিনি।

  • বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালেই দলটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন আখতারুজ্জামান।

ভোটের গণসংযোগে গিয়ে বলেছিলেন, ‘ঘরে ঘুমিয়ে থাকলেও পাস করব, এটাই রাজনৈতিক বাস্তবতা’।

‘ডামি’ নির্বাচন হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ওই নির্বাচন বিএনপিসহ তখনকার বিরোধী দলগুলো বর্জন করেছিল।

একাত্তরের বিতর্কিত ভূমিকার জন্য জামায়াতকে বিভিন্ন সময়ে ‘রাজাকার’, ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১৩ ডিসেম্বর তিনি যোগ দেন জামায়াতে।

’ সেখানে তিনি আন্দোলনকারীদের সবাইকে ‘রাজাকারের সন্তান’ আখ্যা দিয়ে উত্তেজিত কণ্ঠে বলেন, ‘তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

আরও পড়ুন