রাজনীতিযাচাই চলছে

ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে রাষ্ট্র সংস্কার: টিআইবি

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
এক নজরে
  • ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক শক্তির যোগসাজশে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে
  • টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে রাষ্ট্র সংস্কার এবং জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছিল
  • টিআইবি বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের কৌশলগত পরিকল্পনা ও সাহসী উদ্যোগের ঘাটতি এবং আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধের সঙ্গে আপসের কারণে রাষ্ট্র সংস্কারের ভিত্তি তৈরি হয়নি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র সংস্কারের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি।

একই সঙ্গে দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও দলীয়করণের চর্চায় ‘এবার আমাদের পালা’ ধরনের প্রবণতা রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নকে কঠিন করে তুলছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে বর্তমান সরকার অনেকগুলোকে আইনে পরিণত করেছে উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, যেসব অধ্যাদেশ নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা আরও জোরদার করেছে, সেগুলোই পাস করা হয়েছে।

এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংশোধন অধ্যাদেশ প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ আইনে পরিণত না করে ২০০৪ সালের

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এ মন্তব্য করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরেও সংবিধান সংশোধন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ক্ষমতাসীন জোটের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ রহিত করার মাধ্যমে সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছে।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।