উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে জামায়াতে আলোচনা, থাকতে পারেন সাবেক আমলা, শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ীরা

- জামায়াতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের আলোচনা শুরু হয়
- জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম কে বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে
- কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও মজলিশে শুরার পরবর্তী বৈঠকে পরিষদের কাঠামো ও নীতিগত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চায় দলটি
সরাসরি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থেকে বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও অন্যান্য সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন—এমন ব্যক্তিদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে যাচ্ছে দলটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পরবর্তী মজলিশে শুরার বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের এজেন্ডা উঠবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের।
জামায়াত নেতারা বলছেন, উপদেষ্টা পরিষদ গঠন এবং গঠনতন্ত্রে নতুন ধারা বা উপধারা যুক্ত করার বিষয়ে জামায়াত তাড়াহুড়া করতে চায় না।
নীতিগত বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াতকে পরামর্শ দেওয়াই হবে এই পরিষদের মূল কাজ।
সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে দলের গঠনতন্ত্রে আলাদা ধারা বা উপধারা যুক্ত হবে।
পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত গঠনতন্ত্রের মুদ্রিত সংস্করণেও এই বিধান যুক্ত থাকবে।
পরিষদ গঠনের উদ্দেশ্য, সদস্য নির্বাচন, দায়িত্ব এবং দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে এর সম্পর্ক—এসব বিষয় বিস্তারিত পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পরিষদ গঠনের অনুমোদন হয়ে গেলে এর সদস্যসংখ্যা, সদস্য বাছাইয়ের প্রক্রিয়া, দায়িত্ব ইত্যাদি চূড়ান্ত
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





