স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

- সর্বশেষ ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট সন্ধ্যায় স্বামী তাঁর ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে আবার এক লাখ টাকা দাবি করেন
- শর্ত ছাড়া ব্যবসা, বিদেশে যাওয়া কিংবা গাড়ি কেনার জন্য টাকা চাওয়া হলে তা যৌতুকের সংজ্ঞায় আসে না
যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা একটি মামলায় রাসেল উদ্দিনের ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছিল বিচারিক আদালতের রায়ে।
পূর্ণাঙ্গ রায় দেখেছেন জানিয়ে আইনজীবী আল রেজা মো. আমির আজ কে বলেন, ‘কনেপক্ষের কাছে শুধু ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হিসেবে গণ্য হবে না বলে রায়ে বলা হয়েছে।
বিয়ের সময় কিংবা বিয়ে বজায় রাখার শর্ত ছাড়া শুধু ব্যবসার জন্য অর্থ দাবি করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ‘যৌতুকের’ সংজ্ঞায় পড়ে না—এক রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিয়ের পর স্বামী বিভিন্ন সময়ে অভিযোগকারীর (স্ত্রীর) কাছে যৌতুক দাবি করেন।
’ . মামলার বিররণ থেকে জানা যায়, মুসলিম আইন অনুযায়ী ২০১৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মো. রাসেল উদ্দিনের সঙ্গে ইসমত আরা বেগমের বিয়ে হয়।
কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–১–এর বিচারক ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করেন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ) ধারায় স্বামীর বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেন।
‘মো. রাসেল উদ্দিন বনাম রাষ্ট্র ও অন্য একজন’—ফৌজদারি এক আপিলে দেওয়া রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ এসেছে।
১২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আজ রোববার প্রকাশ করা হয়।
স্ত্রীর অভিযোগ, ওই দাবি পূরণে অস্বীকৃতি জানালে স্বামী তাঁকে গুরুতর শারীরিক নির্যাতন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনজুরুল আলম (সুজন)।
গত ৩ আগস্ট বিচারপতি মো. সেলিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল মঞ্জুর করে রাসেলকে খালাস দিয়ে রায় দেন।
আদালতে আপিলকারীর (রাসেল উদ্দিন) পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আল রেজা মো. আমির।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





