জ্বলজ্বল চোখ, আস্ত গাছ হাতে যেভাবে সৈকতে এল বিশাল এই দানব
- আয়োজকেরা জানান, পর্যটক ও স্থানীয় মানুষদের ব্যবহৃত প্লাস্টিক সমুদ্রকে কীভাবে দূষণ করছে এবং এর ক্ষতিকর প্রভাবের বিষয়ে বার্তা দিতেই তৈরি করা হয়েছে ‘প্লাস্টিক দানব’ ভাস্কর্যটি
- চলচ্চিত্র দেখতে প্রবেশমূল্য হিসেবে দর্শনার্থীদের সঙ্গে আনতে হবে দুটি পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বোতল
সংগঠনটি সারা বছর কক্সবাজারে ‘প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ স্টোর’ পরিচালনা করে।
আমরা চাই, মানুষ এই ভাস্কর্য দেখে শুধু ছবি তুলে চলে যাবে না; বরং নিজের ব্যবহৃত প্লাস্টিক কোথায় ফেলছে, সেটি সমুদ্রের জন্য কী ক্ষতি তৈরি করছে,
প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নিয়েছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।
১২ অক্টোবর বিকেলে ভাস্কর্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।
চার মাসের প্রদর্শনীতে কয়েক লাখ পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের কাছে সমুদ্রদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরার লক্ষ্য রয়েছে।
প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল আচরণে মানুষকে উৎসাহিত করতে চান বলে জানান আয়োজকেরা।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রায়ই সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করি, কিন্তু সেই সমুদ্রকে দূষিত করার পেছনে আমাদের নিজেদের ভূমিকার কথা ভুলে যাই।
এ সময় পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি দেখানো হবে পর্যটন বিষয়ে সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





