জবিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ: যুগ্ম আহ্বায়কসহ বহিষ্কার ৮ নেতাকর্মী

- জবি শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ
- সংঘর্ষে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন
- ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কসহ আট নেতাকর্মী বহিষ্কার
- কাঁঠালতলা ও বাহাদুর শাহ পার্ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ছাত্রদল যুগ্ম আহ্বায়কসহ আট নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে।
সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার দুপুর সাড়ে ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জবি শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দফায় দফায় এই সংঘর্ষ কাঁঠালতলা ও বাহাদুর শাহ পার্ক এলাকায় হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, এতে অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন।
পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের তরফে জবি শাখার যুগ্ম আহ্বায়কসহ মোট আটজন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয় বলে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দেশ রূপান্তরের খবরে বলা হয়েছে, সদস্য সচিব শামসুল আরেফীন ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের গ্রুপের মধ্যে এবার সংঘর্ষ বেধেছে।
ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অপ্রীতিকর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিডি২৪লাইভের সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, জবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষ হলো।
সংঘর্ষের খবর বিডি২৪লাইভে “জবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষ” শিরোনামে এসেছে। সমকাল ও দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনেও সংঘর্ষের বিস্তারিত একইভাবে জানানো হয়েছে। সংঘর্ষে আহত দুই শিক্ষার্থী ও তাদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রতিবেদনে নতুন কোনো তথ্য প্রকাশ পায়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংঘর্ষের সময় পরিবেশ ও উভয় পক্ষের অবস্থান নিয়ে গুজব ছড়াতে পারে বলে সতর্ক রয়েছে ক্যাম্পাস কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পর সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে আসায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা। একাডেমিক পরিবেশ স্বাভাবিক রাখা ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংগঠনের স্থানীয় নেতৃত্বের ভূমিকা পর্যবেক্ষণ করছেন শিক্ষার্থীরা। পূর্বের কোন্দল দীর্ঘায়িত হলে পড়াশোনার পরিবেশে ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কাও রয়েছে। অবশ্য পুলিশ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এই খবরটির তথ্য বিডি২৪লাইভ, সমকাল, দৈনিক ইত্তেফাক ও দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।