মহেশখালী চ্যানেল থেকে রাতের অন্ধকারে বালু উত্তোলন অব্যাহত

- মহেশখালী চ্যানেল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট করেন মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. জয়নাল আবেদীন
- এছাড়া সময়ের সীমা অমান্য করে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টার পর বালু কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে
- শুনানি শেষে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ভারুয়াখালী মোহনা, বাঁকখালী মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেলে চার মাসের জন্য ড্রেজিং ও বালু উত্তোলনে স্থগিতাদেশ দেন
গত ১৫ অক্টোবর রাত ১১ টায় মহেশখালী চ্যানেলে সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১২ টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাতারবাড়ী বন্দরের ব্যবহার্য রাস্তাঘাট নির্মাণের জন্য ‘টোকিও-এমআইএল-জেভি’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কর্তৃক হামিদারদিয়া ও ঠাকুরতলা মৌজা থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
সচেতন মহল মনে করছেন পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া এভাবে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে স্থানীয় ইকোসিস্টেমে ভয়াবহ বিপর্যয় নামবে।
কেবল এলাকাভিত্তিক সীমালঙ্ঘনই নয়, বালু উত্তোলনের কারিগরি নিয়মাবলীও সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সরকারি নীতিমালায় ১৮ ইঞ্চি কাটার দিয়ে বালি কাটার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকলেও নিয়ম ভেঙে ব্যবহার করা হচ্ছে ১২ ইঞ্চি কাটার।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





