ইতিহাসনিশ্চিত [B]

বিডিআর বিদ্রোহ ২০০৯: পিলখানায় ৭৪ জনের প্রাণহানি

1 মিনিট পাঠ
বিডিআর বিদ্রোহ ২০০৯: পিলখানায় ৭৪ জনের প্রাণহানি — ছবি: joiseyshowaa (BY-SA)
বিডিআর বিদ্রোহ ২০০৯: পিলখানায় ৭৪ জনের প্রাণহানি — ছবি: joiseyshowaa (BY-SA)
এক নজরে
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ ঢাকার পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহ শুরু হয়
  • নিহত ৭৪ জন — এর মধ্যে ৫৭ সেনা কর্মকর্তা; মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদও নিহত হন
  • বিদ্রোহ ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে; ২৬ ফেব্রুয়ারি জওয়ানরা আত্মসমর্পণ করে
  • বিদ্রোহের বিচারে বহু আসামি দণ্ডিত হন; বাহিনীর নাম হয় বিজিবি

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত বর্ডার রাইফেলস (বিডিআর) সদর দপ্তরে সমাবেশ চলাকালে সীমান্তরক্ষী জওয়ানরা বিদ্রোহ শুরু করে। বেতন-ভাতা, পদোন্নতি ও দায়িত্বপালন নিয়ে ক্ষোভ ছিল মূল কারণ — কিন্তু বিদ্রোহ দ্রুত রক্তক্ষয়ী হয়ে ওঠে।

পিলখানা ট্র্যাজেডি

বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ওই দিন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন; বেসামরিক মানুষ ও বিডিআর সদস্যসহ মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৪। বিদ্রোহীরা কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে রাখে, অস্ত্রাগার ও গাড়ি লুট করে। ঢাকার বাইরে আরও কয়েকটি বিডিআর স্থাপনায়ও বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।

সমাপ্তি ও বিচার

সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের মুখে ২৬ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহীরা আত্মসমর্পণ করে। সরকার জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করে। পরে বিপুল সংখ্যক বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়; বহু আসামি বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড পান, কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর হয়। বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে বিডিআর বিলুপ্ত করে একই বাহিনীকে ২০১১ সালে ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ (বিজিবি) হিসেবে নতুন করে আত্মপ্রকাশ ঘটানো হয়। পিলখানার রক্তক্ষয়ী সেই দিনটি দেশটির স্মৃতিতে এখনো তাজা।

সূত্র: উইকিপিডিয়া, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-প্রকাশিত সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন।

প্রশ্নোত্তর

বিডিআর এখন কী নামে পরিচিত?

বিদ্রোহের পর বাহিনীটি সংস্কার করে 'বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ' (বিজিবি) নামকরণ করা হয়।

পিলখানা কী?

ঢাকার মতিঝিল এলাকায় অবস্থিত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তর, যেখানে বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে।