জাতীয়যাচাই চলছে

বিডিআরের নজরুলের ময়নাতদন্তে প্রভাব খাটান জিয়াউল

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
বিডিআরের নজরুলের ময়নাতদন্তে প্রভাব খাটান জিয়াউল
এক নজরে
  • ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত র‍্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক এবং র‍্যাবের এডিজি (অপস) হিসেবে কর্মরত থাকার সময় বলপূর্বক অসংখ্য গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জিয়াউল আহসান সরাসরি অংশগ্রহণ করেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম
  • যেমন এই মামলার ভুক্তভোগী বিডিআর হাসপাতালের সাবেক মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট নজরুল ইসলামের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সঠিকভাবে প্রস্তুত করা হয়নি, যার সঙ্গে জিয়াউল আহসান সরাসরি জড়িত ছিলেন
  • আবার কাউকে কাউকে দীর্ঘদিন আটক রাখার পর মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্ন আদালতে চালান দেওয়া হতো

যেসব ক্ষেত্রে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জনগণের সামনে চলে আসত, সেসব ক্ষেত্রে লোকদেখানো প্রশাসনিক নির্বাহী তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডটির বৈধতা দেওয়া হতো।

শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার জবানবন্দিতে এ কথাগুলো বলেন।

জবানবন্দিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল, তা তাঁদের অজানাই রয়ে গেছে।

বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের কাউকে কাউকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হতো।

আবার কাউকে কাউকে বনদস্যু নির্মূলের অভিযানের নামে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে সাজানো নাটক মঞ্চস্থ করা হতো।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।