সাগর-রুনি হত্যা মামলা: ১৩ বছরেও কেন রহস্য উদঘাটন হয়নি

- ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বাসায় সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি নিহত হন
- তদন্ত ডিবি থেকে র্যাবে, ২০২৪ সালে র্যাব থেকে পিবিআইয়ের কাছে নথি হস্তান্তর; সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা বদলেছেন
- যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবে দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির ডিএনএ শনাক্ত হলেও খুনি ধরা পড়েনি
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বাসায় সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি নিহত হন। পরদিন মামলা হয়, প্রতিবাদে নামেন সাংবাদিকরা। ১৬ ফেব্রুয়ারি তদন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবিতে স্থানান্তর হয়।
হাতবদলের তদন্ত
ডিবির ব্যর্থতা স্বীকার করে ১৮ এপ্রিল মামলা র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ২৬ এপ্রিল মরদেহ উত্তোলন করে ভিসেরা পরীক্ষা করা হয়। আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবে অজ্ঞাত ব্যক্তির ডিএনএ পাওয়া যায়। ২০২০ সালের অগ্রগতি প্রতিবেদনে দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির ডিএনএ শনাক্তের কথা জানানো হয়, কিন্তু সেই ডিএনএ কার, তা মেলেনি।
এর মধ্যে মামলার সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা বদলেছেন — সপ্তম কর্মকর্তা নিয়োগ পান ২০১৯ সালের জুলাইয়ে। প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় আদালত বারবার নতুন তারিখ দিয়েছে।
এখন কোথায়
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক কর্মকর্তার ‘৫০ বছর’ মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক হয়। আগস্টে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে। নভেম্বরে র্যাবের হাত থেকে মামলার নথি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১৩ বছর পূর্তিতেও রহস্য উদঘাটন হয়নি — টাস্কফোর্সের তদন্ত চলছে।
এই ঘটনার তারিখভিত্তিক পূর্ণ কালানুক্রম পাবেন সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাপঞ্জি পাতায়।
মন্তব্য দেখুন / লিখুন
মন্তব্য লিখতে চাইলে নিচের ঘরে লিখুন। প্রতিটি মন্তব্য যাচাই করার পরেই প্রকাশিত হয়।





