মধু সিটি: আধুনিক নগরায়ণ ও পরিকল্পিত আবাসনের নতুন সম্ভাবনা

- একই প্রকল্পে নাগরিক জীবনের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলার অংশ হিসেবে মধু সিটির প্রকল্পে নাগরিক জীবনের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
- জমি হস্তান্তরে স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবায় গুরুত্ব জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং যথাযথ কাগজপত্র সম্পন্ন করাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয় মধু সিটি
- এমন পরিস্থিতিতে পরিকল্পিত আবাসন, উন্নত গ্রাহকসেবা এবং সুনির্দিষ্ট জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে আবাসন প্রতিষ্ঠান ‘মধু সিটি’
ঢাকার ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরের সন্নিকটে, ১২০ ফুট বছিলা-মোহাম্মদপুর হাইওয়ে-সংলগ্ন এলাকায় মধু সিটির আবাসন প্রকল্পটির অবস্থান; যা আধুনিক নগরজীবনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও পরিকল্পিত আবাসনের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে।
বর্তমানে ৩, ৫, ৭ ও ১০ কাঠার প্লটের পাশাপাশি ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন আকারের প্লট বরাদ্দের
বিভিন্ন আকারের প্লট ও পছন্দের সুযোগ ক্রেতাদের প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন আকারের প্লট বরাদ্দের ব্যবস্থা রয়েছে মধু সিটিতে।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, মূল্য পরিশোধের পর সাফ কবলা দলিল সম্পাদন, রেজিস্ট্রেশন, মিউটেশন এবং প্লট হস্তান্তরের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য গ্রাহকদের জমি কেনার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করা।
একই সঙ্গে ক্রেতারা যেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় জমির মালিকানা গ্রহণ করতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া।
প্রকল্প পরিকল্পনায় রয়েছে মসজিদ, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার, সুপারমার্কেট এবং ফ্ল্যাট ও কনডোমিনিয়াম জোন।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





