টিসিবির ডিজিটাল ব্যবস্থায় চাঁদাবাজি ও লোকসান হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার তাগিদ

- ডিজিটাল ব্যবস্থা যেন কিছুদিন চালু থাকার পর অকার্যকর হয়ে না পড়ে, সে জন্য নজরদারি প্রয়োজন
- পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমে নিয়োজিত সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিজিটাল রূপান্তর একটি ইতিবাচক উদ্যোগ
- টিসিবি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির প্রধান অতিথি এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ হোসেন মাহবুব ও বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান বিশেষ অতিথি ছিলেন
বছরে ৮০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের দাবি মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিজিটাল কার্ড চালুর মাধ্যমে ডিলার থেকে সাধারণ ভোক্তা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করার উদ্যোগ নেয় টিসিবি।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও নিম্ন প্রবৃদ্ধির সময়ে সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।
নাজনীন আহমেদ বলেন, টিসিবির কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো এবং আরও পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ এমন তাগিদ দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার আর্মি গলফ ক্লাবের গলফ গার্ডেনে ‘ট্রেড উইথ টিসিবি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, টিসিবির কার্ডের কার্যকারিতা নিয়মিত পরিমাপ করতে হবে।
শুধু সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নিলে হবে না, ভোক্তাদের কাছ থেকেও জানতে হবে তাঁরা কীভাবে সুবিধা পাচ্ছেন।
এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জ্যেষ্ঠ গবেষক ও অধ্যাপক বদরুন নেসা আহমেদ।
দারিদ্র্যসীমার সামান্য ওপরে থাকা অনেক মানুষও অর্থনৈতিক ধাক্কায় দরিদ্র হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





