শুভ্রাংশের চোখে ফিরে দেখা সেই দুর্গাপূজা

- ছোটবেলায় একা একা রাতে গিয়ে আরতি অনুষ্ঠান দেখা খুব কষ্টকর ছিল
- প্রতিদিন মন্দিরের সামন দিয়ে হেঁটে হেঁটে স্কুলে যেতাম
আবার যখন টিফিনে বাসায় খেতে আসতাম, তখনো প্রতিমা তৈরির কাজ দেখার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে যেতাম।
যখনই স্কুলে যেতাম, তখন একটু দাঁড়িয়ে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতাম মালাকারের সেই নিখুঁত হাতে প্রতিমা গড়ার কাজের দিকে।
রাতের বেলায় হালকা শীত অনুভব হয়, আবার দিনের বেলায় গরম।
পূজার চার দিন আগে প্রতিমা তৈরির কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়ে যেত।
সকালে ঘুম থেকে উঠে অঞ্জলি দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতাম।
যখন আশ্বিন মাস আসে, চারপাশ শরৎকালের আবহাওয়ায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
আমাদের মন্দিরে সাধারণত কাপড় দিয়ে ঢেকে মালাকার মন্দিরের ভেতরে প্রতিমা তৈরি করত।
এভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতে দেখতে একসময় প্রতিমা তৈরির কাজ হয়ে যেত।
আমরা একটু কাপড়ের ফাঁক দিয়ে পরিপূর্ণ কাজ শেষে মায়ের প্রতিমা দর্শন করতাম।
দেখতাম আর মালাকারের কাজের প্রশংসা করতাম—‘এত সুন্দর হয়েছে!
আমাদের এলাকায় পূজায় এত বড় মেলা বসত যে আশপাশের অনেক গ্রাম থেকে মানুষ আসত আমাদের পূজা দেখতে এবং মেলায় ঘোরাফেরা করতে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





