রবীন্দ্রনাথ ও যুক্তরাষ্ট্র

- পাঁচ বছর পেরোনোর আগেই খ্যাতির এই স্বর্গ থেকে ছিটকে পড়েন রবীন্দ্রনাথ
- এজরা পাউন্ড ও ইয়েটস, যাঁরা তাঁকে স্বর্গে ওঠার সিঁড়িটি এগিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি নোবেল পুরস্কার পাওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই সেই সিঁড়ি সরিয়ে নেন
নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের মাত্র দেড় দশকের মাথায় রবীন্দ্রনাথ প্রথম এশীয় ও প্রথম অশ্বেতাঙ্গ লেখক হিসেবে সাহিত্যে এ পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলার কবি হলেও পুরস্কারটি তাঁকে দেওয়া হয় তাঁর ইংরেজি গীতাঞ্জলি: সং অফারিংস কাব্যসংকলনের জন্য।
’ বার্ট্রান্ড রাসেল কিছুটা বিদ্রূপের সুরে বলেন, ‘এই লোক মিষ্টি মিষ্টি আবোলতাবোল বকে; কিন্তু যা বলে, তার সবই উপনিষদে আগেই বলা হয়েছে।
নোবেল কমিটির ঘোষণায় বলা হয়, ‘তাঁর গভীর সংবেদনশীল, নবীন ও সুন্দর কবিতার মধ্য দিয়ে তিনি অসামান্য দক্ষতায় নিজের ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত কাব্যভাবনাকে পাশ্চাত্য সাহিত্যের অংশ করে তুলেছেন।
’ এ পুরস্কার ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে রবীন্দ্রনাথকে প্রায় রাতারাতি এক অতি যশস্বী কবি বা সেলিব্রিটিতে পরিণত করে।
চুক্তিবদ্ধ হয়ে একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে বক্তৃতা-সফরের ব্যবস্থাও করেছিলেন।
১৯১৫ সালে নিউইয়র্কের কার্নেগি হলে তাঁর ভাষণ শুনতে এত মানুষের সমাগম হয়েছিল যে অনেকে আসন না পেয়ে মেঝেতে বসে কিংবা সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে তা শুনেছিলেন।
বিশেষভাবে প্রীত হয়েছিলেন এই দেখে যে তাঁর কিছুটা সেকেলে ধাঁচের ইংরেজিও এজরা পাউন্ড ও ইয়েটসের মতো মহৎ কবিরা লুফে নিয়েছেন।
একসময় রবীন্দ্রনাথকে দান্তের সঙ্গে তুলনা করা পাউন্ড পরে তাঁকে কার্যত অপাঠ্য বলে বাতিল করে দেন।
ইয়েটস একসময় উদ্ভ্রান্তের মতো রবীন্দ্রনাথের হাতে লেখা গীতাঞ্জলি র পাণ্ডুলিপি নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





