মতামত/বিশ্লেষণযাচাই চলছে

এডওয়ার্ড ডিমক ও জীবনানন্দ দাশ

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
এডওয়ার্ড ডিমক ও জীবনানন্দ দাশ
এক নজরে
  • সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ফখরুল আলম জীবনানন্দ দাশের কবিতার একটি সরল কিন্তু সুপাঠ্য অনুবাদ সংকলন প্রকাশ করেছেন
  • যে প্রকৃতির বর্ণনা জীবনানন্দ করেন, বাস্তবে তাকে আমরা আর খুঁজে পাই না
  • লীলা রায় ও হুমায়ুন কবিরের হাতে করা বেশ কটি কবিতার অনুবাদও পড়েছি

২০০৮ সালের ২৪ অক্টোবর র সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত এ লেখাটি এত দিন শুধু ছাপা কাগজেই ছিল, আজ অন্যঅইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।

‘বেঙ্গল দ্য বিউটিফুল’ নামে ‘রূপসী বাংলা’ এবং ‘নেকেড লোনলি হ্যান্ড’ নামে জীবনানন্দের নির্বাচিত কবিতার খুবই চমত্কার অনুবাদ প্রকাশ করেছেন এই ইংরেজ কবি।

অন্য আর কোনো কবি নেই—রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলকে মাথায় রেখেই বলছি—যাঁর কবিতা সব বয়সের বাঙালি পাঠককে এমন প্রবল রকম আলোড়িত করে।

পাই না বলেই হয়তো হারানো সে সৌন্দর্যকে আমরা নিজের ভেবে আরও প্রবলভাবে আঁকড়ে ধরি।

সম্রাট বিম্বিসার কে, বিদর্ভ নগর কোথায়, তা না জেনেই মনে মনে নিজের মতো এক চিত্র ও ধ্বনির জগৎ আমরা গড়ে নিই।

আগাগোড়া তাঁর কবিতার সুর বিষণ্ন, সবচেয়ে উজ্জ্বল যে রং তা–ও ধূসর, অথচ তা সত্ত্বেও এই কবির কবিতায় আমরা ব্যক্তিগত প্রণোদনার উত্স খুঁজে পাই।

অন্য আর একমাত্র যে কবিকে আমরা এ রকম ‘যে যার মতো’ করে আবিষ্কার করি, তিনি হলেন কিটস।

নিজে বুদ্ধদেব বসুর উত্সাহে গোটা কয়েক কবিতা অনুবাদ করেছিলেন।

ইংরেজি ভাষার একমাত্র যে কবি সরাসরি বাংলা থেকে জীবনানন্দের কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন, তিনি হলেন জো উইন্টার।

কোথাও কোথাও জীবনানন্দের কবিতার আক্ষরিক ও সরলীকৃত ভাষান্তর হয়েছে, এ কথা ঠিক ; কিন্তু বাঙালি কবির ধ্বনিচিত্র তিনি যেভাবে রূপান্তরিত করেছেন, তাতে মুগ্ধ হতে হয়।

মার্কিন লেখক ও ভাষাবিদ ক্লিনটন সিলি, যাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ও সাহিত্যবোধ আমাদের বিস্মিত করে, ইংরেজি

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।