রবীন্দ্রনাথ-নজরুল সম্পর্ক: প্রভাব ও প্রণতি
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেমন নজরুলকে সন্তানের মতো স্নেহ করতেন, তেমনি কাজী নজরুলও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে পরম শ্রদ্ধার চোখে দেখতেন
- তথাপি আমাদের সমাজে দারুণভাবে বয়ান তৈরি করা হয় যে কাজী নজরুলকে পাগল বানিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ; তা না হলে কাজী নজরুল ইসলামই নোবেল পুরস্কার পেয়ে যেতেন
’ [মুজফ্ফর আহ্মদ, কাজী নজরুল ইসলাম: স্মৃতিকথা, পৃ. ৫৮-৫৯] . নজরুল কবিতায় অসির ঝনঝনা স্বতঃসিদ্ধ।
এ প্রসঙ্গে ‘নজরুল জীবনী’ গ্রন্থে নজরুল–গবেষক রফিকুল ইসলাম লিখেছেন, ‘নজরুলের বয়স তখন ১৮ থেকে ২০।
’ জীবদ্দশায় নজরুলের সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক ছিল কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে।
বাংলা সাহিত্যের প্রধান দুই কবিকে নিয়ে বাঙালি জাতি বিভক্ত হলেও তাঁদের দুজনের মধ্যে ছিল পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক।
বস্তুত কাজী নজরুলও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বারা দারুণভাবে অনুপ্রাণিত, উপকৃত ও স্নেহসিক্ত।
রবীন্দ্রনাথের প্রায় অধিকাংশ লেখাই কবি নজরুল পড়ে শেষ করেন।
১৯২০ সালে ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় নজরুলের তিনটি কবিতা: ‘শাত-ইল আরব’, ‘বোধন’ ও ‘খেয়া পারের
১৯১৭ সালে করাচির সেনানিবাসে রচিত ‘ব্যথার দান’ গল্পে তিনি রবীন্দ্রনাথের বেশ কিছু গান ব্যবহার করেন।
ঐ বয়সের একটি গ্রামীণ বাঙালি মুসলমান ছেলে করাচি সেনানিবাসে রচিত গল্পে যেসব রবীন্দ্র সঙ্গীতের উদ্ধৃতি দিয়েছেন তা থেকে এক পরিমার্জিত, পরিশীলিত রুচির শিল্পীমানসের সন্ধান পাওয়া যায়।
বলতে গেলে উল্লেখ করার মতো তেমন কোনো পরিচিতি নজরুলের ছিল না।
এত বেশি রবীন্দ্র–সঙ্গীত সে কি করে মুখস্ত করেছিল তা ভেবে আমরা আশ্চর্য হয়ে যেতাম।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





