নতুন পে স্কেলে পুনর্নির্ধারণ হলো ৮ ধরনের ভাতা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতনের পাশাপাশি ভাতার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিমার্জন এসেছে।
প্রজ্ঞাপনে আট ধরনের ভাতা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যাতায়াতসংশ্লিষ্ট ভাতার কথা উল্লেখ আছে। অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে গ্রেড ও কর্মস্থলের এলাকা অনুযায়ী বাড়ি ভাড়ার হারও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম অনুযায়ী—কোনো ক্ষেত্রে এটি মূল বেতনের সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। কর্মস্থল ও গ্রেডের পার্থক্যের ভিত্তিতে এই হার পরিবর্তিত হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অন্যদিকে আগের কাঠামোর তুলনায় তিন ধরনের ভাতার পরিমাণ কমিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সংবাদমাধ্যম।
ভাতা পুনর্নির্ধারণের পাশাপাশি কোন কোন ভাতা কমানো হলো, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রজ্ঞাপনের পূর্ণাঙ্গ পাঠে পরিষ্কার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নবম পে স্কেলের এই প্রজ্ঞাপন জনবলের বিভিন্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা চূড়ান্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিবেচিত হচ্ছে।
নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সরকারি বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর আর্থিক সুবিধায় পরিবর্তন আসবে। পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের মাঝে আগ্রহ যেমন বেড়েছে, তেমনি সংশ্লিষ্ট মহলে ভাতা কমানোর বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে। অর্থ বিভাগের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবে কার্যকর হতে এখন অপেক্ষা।
দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োজিত বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা এই কাঠামোয় নির্ধারিত হয়। নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপনে যে ভাতা পুনর্নির্ধারণ ও কমানোর কথা বলা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে চূড়ান্ত বেতন নির্ধারণের খুঁটিনাটি এতে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কর্মস্থলভেদে ভাতা হারে ভিন্নতা আসাও নতুন এই কাঠামোর একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে।
এই খবরটি একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।