রাতে লাখ টাকা দাবি করে বাবাকে ফোন, সকালে মিললো ছেলের লাশ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) হল রোডের পাশে আজমল হোসেন (২২) নামে এক তরুণের মরদেহ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপর পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে জানিয়েছে এক সংবাদমাধ্যম; অন্যটি বলেছে, পিটিয়ে হত্যার অভিযোগের কথা।
ওই রাতেই আজমলের বাবাকে ফোন করে লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। পরদিন সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। রাতে টাকা দাবির ফোন এবং ভোরে মরদেহ পাওয়ার বর্ণনা মিলিয়ে ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মারধরের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা প্রকাশিত প্রতিবেদনে এখনো পরিষ্কারভাবে উঠে আসেনি। পুরো ঘটনাটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসংলগ্ন হল রোড এলাকায় ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। চুরির অপবাদে এক তরুণকে এভাবে মারধরের বিষয়টি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে আলোড়ন তুলেছে।
পরিবারের কাছে টাকা দাবি করা হলেও দাবিটির পেছনে আসলে কী ছিল, তা এখনো অনিশ্চিত। হল এলাকায় খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় আলোচনা ও প্রশ্নের ঝড় উঠেছে—একটি তরুণের প্রাণ গেল কেন, এমন প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
মরদেহ উদ্ধার, রাতের ফোন ও মারধরের ঘটনা—সব মিলিয়ে পুরো বিষয়টি নিয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে। তদন্ত এখনো যেখানে পৌঁছেছে, তা প্রকাশিত প্রতিবেদনে পরিষ্কারভাবে বলা নেই।
ঘটনাটি কেবল খুলনায়ই নয়, জাতীয় গণমাধ্যমেও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ হয়ে এসেছে। চুরির অপবাদে এক তরুণকে মারধরের পর তার মৃত্যুর অভিযোগ এবং পরিবারের কাছে টাকা দাবির খবর—দুটি পত্রিকার প্রতিবেদনেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সত্য ঘটনার সম্পূর্ণ চিত্র পেতে হলে তদন্তের পরিপূর্ণ বিবরণ প্রকাশ হওয়া জরুরি বলে মনে হচ্ছে।
এই খবরটি একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।