যুক্তরাষ্ট্রে ফুল ফান্ডিং: অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ ও স্টাইপেন্ড সম্পর্কে কতটা জানেন

- ২. টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ (টিএ): স্নাতক পর্যায়ের ক্লাসে পাঠদানে সহায়তা, ল্যাব পরিচালনা বা খাতা দেখার মতো কাজ
- যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমরা সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো শুনি, তা প্রায় একই—ভর্তির সুযোগ কীভাবে পাব, ফান্ডিং কি সত্যিই পাওয়া যায়, আর পুরো খরচ কত
- সাধারণ নথিপত্রের মধ্যে আছে—একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সনদ, ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণ (টোয়েফল, আইইএলটিএস বা ডুওলিঙ্গো ইংলিশ টেস্ট, বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে গ্রহণযোগ্যতা আলাদা), স্টেটমেন্ট অব পারপাস, দুই থেকে তিনটি সুপারিশপত্র, রেজিউমে বা সিভি, জিআরই বা জিম্যাট (যদি বিভাগ চায়)
অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ: তিন ধরনের সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রে ‘ফান্ডিং’ বলতে প্রায়ই এই কয়েকটি ধরন বোঝায়— ১. রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ (আরএ): কোনো অধ্যাপকের গবেষণা প্রকল্পে কাজ করার বিনিময়ে টিউশন ছাড় ও মাসিক ভাতা।
বহু প্রোগ্রামে এটি এখন ঐচ্ছিক বা আর লাগে না, তাই প্রতিটি বিভাগের শর্ত আলাদাভাবে দেখতে হবে।
আবেদন ফি সাধারণত প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০ থেকে ১১০ মার্কিন ডলারের মধ্যে হয়।
দশটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে শুধু এই খাতেই হাজার ডলারের কাছাকাছি লেগে যেতে পারে।
অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএ হতে ইংরেজি বলার দক্ষতার আলাদা মূল্যায়ন বা পরীক্ষা থাকে।
৩. গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ (জিএ): বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যালয়, লাইব্রেরি বা প্রশাসনিক বিভাগে কাজ।
ভর্তির সুযোগ কীভাবে পাবেন যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তির আবেদন সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অনলাইন পোর্টালে করতে হয়।
মনে রাখা জরুরি স্টেটমেন্ট অব পারপাস ও সুপারিশপত্র ভর্তির সবচেয়ে সিদ্ধান্তমূলক অংশ, বিশেষ করে ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





