জাতীয়যাচাই চলছে [A]

দাঁত বা মাড়ির রোগের সঙ্গে হৃদ্রোগের কি সম্পর্ক আছে

1 মিনিট পাঠ
দাঁত বা মাড়ির রোগের সঙ্গে হৃদ্রোগের কি সম্পর্ক আছে
এক নজরে
  • পায়ের রক্তনালিতে সমস্যা: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরীক্ষা জরিপে দেখা গেছে
  • অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন: তাইওয়ানের জাতীয় ডেটাবেজে ১০ লক্ষাধিক মানুষের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে

গবেষণা কী বলছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি: ১৯৯৩ সালে ৯ হাজার ৭৬০ মানুষের ওপর করা প্রথম বড় গবেষণায় দেখা যায়, যাঁদের পেরিওডন্টাইটিস আছে, তাঁদের করোনারি হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি ২৫ শতাংশ বেশি।

হৃৎপিণ্ড থেকে দাঁত অনেক দূরে অবস্থিত হলেও গুরুতর পেরিওডন্টাইটিস বা মাড়ির রোগের সঙ্গে হৃদ্‌রোগের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে।

প্রদাহ: মাড়ির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ থেকে সিআরপি, ইন্টারলিউকিন ৬, টিএনএফ আলফা নামে প্রদাহ সৃষ্টিকারী রাসায়নিক রক্তে বেড়ে যায়।

এ নিয়ে ২০২০ সালে ইউরোপিয়ান ফেডারেশন অব পেরিওডন্টোলজি (ইএফপি) ও ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন (ডব্লিউএইচএফ) যৌথভাবে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্বিগুণ: হৃদ্‌রোগ ও রক্তনালির স্বাস্থ্যবিষয়ক আমেরিকার বিখ্যাত অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস রিস্ক ইন কমিউনিটিজ স্টাডি (এআরআইসি) গবেষণায় দেখা গেছে, মাড়ির রোগ থাকা ব্যক্তিদের কার্ডিওএমবোলিক ও থ্রম্বোটিক স্ট্রোকের ঝুঁকি সুস্থ ব্যক্তিদের দ্বিগুণের বেশি।

কীভাবে হার্টে রোগ ছড়ায় এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা তিনটি সম্ভাব্য কারণের কথা বলছেন— ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ: আমাদের মাড়ির পকেটে থাকা পোরফাইরোমনাস জিনজিভালিসের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া রক্তে মিশে সরাসরি হৃৎপিণ্ডের টিস্যু, হার্টের ভালভ ও রক্তনালির চর্বির দলায় জমা হয়।

রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার বিভ্রান্তি: ব্যাকটেরিয়ার কিছু প্রোটিন আমাদের শরীরের প্রোটিনের মতো দেখতে।

বিজ্ঞানীরা হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতেও এ ব্যাকটেরিয়া খুঁজে পেয়েছেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2