জাতীয়যাচাই চলছে

পরিবার ও কর্মজীবনে সম্পর্ক ভালো রাখতে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ওপর গুরুত্ব

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
পরিবার ও কর্মজীবনে সম্পর্ক ভালো রাখতে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ওপর গুরুত্ব
এক নজরে
  • পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও ব্যক্তিগত সম্পর্কে সুস্থ যোগাযোগ এবং দ্বন্দ্ব নিরসনে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ
  • এ জন্য দৈনন্দিন জীবনে মানুষের আচরণ বোঝা এবং দ্বন্দ্ব নিরসনের গুরুত্ব উপলব্ধি করা প্রয়োজন

বুধবার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) সেন্টার ফর পিস স্টাডিজের (সিপিএস) আয়োজনে একটি বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

‘তরুণ পেশাজীবীদের পরিবার, কর্মজীবন ও আন্তব্যক্তিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য দেন মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান।

ব্যক্তিগত বিকাশের পথে স্বচ্ছন্দ বলয় বা কমফোর্ট জোন বড় বাধা হতে পারে উল্লেখ করে ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান বলেন, পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখতে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ।

মূল বক্তব্যে ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান বলেন, জীবনে উন্নতির জন্য শিক্ষাগত ও পেশাগত অর্জন জরুরি।

স্বাগত বক্তব্য দেন সিপিএসের পরিচালক অধ্যাপক এম জসিম উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার উদ্দিন আহমেদ।

পাশাপাশি প্রয়োজন বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা, নেতৃত্ব ও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা।

শায়েখুজ্জামানের মতে, কোনো পরিস্থিতিতে একজন মানুষ কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখান এবং কতটা সংযতভাবে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তা নেতৃত্বের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

একজন নেতার কাজ শুধু অনুসারী তৈরি করা নয়, নতুন নেতা গড়ে তোলাও।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

আরও পড়ুন