জাতীয়নিশ্চিত

মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান: সাংবাদিক ও পুলিশের ওপর হামলাকারী কারা

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান: সাংবাদিক ও পুলিশের ওপর হামলাকারী কারা
এক নজরে
  • রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর চত্বর এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে
  • ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ১৫ থেকে ২০ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৩০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

’ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

সংঘর্ষের কারণে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ নম্বরের সড়কে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকে।

সময় টিভির একজন প্রতিবেদক ও ক্যামেরাম্যানকে ধাওয়া করে মারধর করা হয়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে মিরপুর ১০ নম্বরের হোপ মার্কেট এলাকায় অভিযান শুরু হয়।

মার্কেটের দোকানি শরিফুল ইসলাম কে বলেন, সিটি করপোরেশনের ভেকু মার্কেটের সীমানার ভেতরে ভাঙচুর করার সময় বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে।

আগুন লাগার পর ক্ষুব্ধ হকার ও দোকানিরা সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়।

র একজন আলোকচিত্রীর ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

আজ বুধবার সংঘর্ষের পর মিরপুর ও ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার কে বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে।

এ ঘটনায় যাঁদের সম্পৃক্ততা থাকবে না, তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে এ অভিযান চলছিল।

অভিযানের এক পর্যায়ে হোপ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচে থাকা ভাসমান দোকান সরাতে গিয়ে ভেকুর আঘাতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আগুন ধরে যায় বলে স্থানীয় দোকানি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।

আরও পড়ুন