আলমডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত যুবক আটক

আলমডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত যুবক আটক
দাবির অধিকাংশ তথ্য সঠিক; কিছু অংশ অতিরঞ্জিত।
- স্থানীয় জানা গেছে, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করা নিয়ে ইমদাদুলের সঙ্গে নাইসের আগে একাধিকবার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল
- অভিযুক্ত নাইস খন্দকার (২০) নামের ওই তরুণকে স্থানীয় লোকজন গতকাল রাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে
- অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় বাসিন্দা নাইস তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় স্কুলগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ইমদাদুল হক (২৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নাইস (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাটাম দিয়ে আঘাত করে এক তরুণকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় জানা যায়, স্কুলগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় গোবিন্দপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানে ইমদাদুলের সঙ্গে নাইসের কথা-কাটাকাটি হয়।
অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল।
গতকাল বুধবার রাতে নাইসের পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানাতে তাদের বাড়িতে যান ইমদাদুল।
অবস্থার অবনতি হলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
গতকাল বুধবার রাতে ৯টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার গোবিন্দপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইমদাদুলের বাবা রেজাউল হক বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, এ মামলায় নাইসকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাইসের বিরুদ্ধে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী উজ্জ্বল হোসেন জানান, বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছিলেন ইমদাদুল।
একপর্যায়ে নাইস কাঠের বাটাম দিয়ে ইমদাদুলের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ সময় নাইস ঘর থেকে কাঠের বাটাম এনে ইমদাদুলের মাথা ও শরীরে আঘাত করেন।
’ আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।
অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে নাইস ‘মায়ের কাছে অভিযোগ দিলি ক্যানে’ বলে ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের বাটাম দিয়ে ইমদাদুলের মাথায় আঘাত করেন।
এ ঘটনার পর নাইস এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করছিলেন।
একপর্যায়ে তাঁকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
3টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
- samakal-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ সমকাল
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো
- বিডি২৪লাইভ-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ bd24live





