জাতীয়একক/আংশিক [A]

একক/আংশিক [A] — একক সূত্রের ওপর ভিত্তি করে — আরও সূত্রে নিশ্চিত হলে পরিপূর্ণ হবে · 1 প্রমাণ · স্কোর 2

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একক সূত্রের ভিত্তিতে বা আংশিক তথ্যে যাচাই — আরও সূত্র না মেশা পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত থাকল।

নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2

  • প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে

ডিজিটাল ব্যাংক গ্রাহকদের কীভাবে সেবা দেবে

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে নতুন করে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে, ফলে ডিজিটাল ব্যাংক ধারণাটি নতুন করে সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় গভর্নর ম

সূত্র: প্রথম আলো2 মিনিট পাঠ

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে নতুন করে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে, ফলে ডিজিটাল ব্যাংক ধারণাটি নতুন করে সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদনপ্রাপ্ত চারটি ব্যাংক হলো ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, যার উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক; বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা; নোভা ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ; এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড। পাশাপাশি আগেই প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ ধরনের ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা, উপশাখা, এটিএম বা সিডিএম থাকবে না। সব সেবা পাওয়া যাবে শুধু ডিজিটাল মাধ্যমে, যেমন ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ, আর তা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ভার্চ্যুয়াল কার্ড ও কিউআর কোডের মতো প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। লেনদেনের জন্য গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম বা এজেন্ট সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। একেকটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য ন্যূনতম ৩০০ কোটি টাকা মূলধন লাগবে।

অর্থাৎ হিসাব খোলা থেকে শুরু করে যেকোনো সেবা নেওয়ার জন্য কোথাও যেতে হবে না, যেকোনো স্থান থেকে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করেই কাজ করা যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালাতেই এই ব্যাংকগুলোর কাজের ধরন চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই পটভূমিতে ব্যাংকগুলোর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। দেশে বর্তমানে বিকাশ, নগদ বা রকেটের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস চালু থাকলেও সেগুলো ব্যাংক নয়। অন্যদিকে ইতিমধ্যে ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবার অ্যাপগুলো প্রায় সব ধরনের ব্যাংকিং সেবাই ডিজিটাল করে দিয়েছে, ফলে গ্রাহকদের ব্যাংকে যাওয়া কমে গেছে। অনেক ব্যাংক এখন শাখা সম্প্রসারণের পরিবর্তে শাখা সংকুচিত করার পরিকল্পনা করছে এবং শাখার আয়তনও কমিয়ে আনতে চাইছে।

মন্তব্য দেখুন / লিখুন

মন্তব্য লিখতে চাইলে নিচের ঘরে লিখুন। প্রতিটি মন্তব্য যাচাই করার পরেই প্রকাশিত হয়।