জাতীয়নিশ্চিত [A]

আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ঘটনার সময় বাসায় ছিলাম না: গাজী নজরুল

1 মিনিট পাঠ
আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ঘটনার সময় বাসায় ছিলাম না: গাজী নজরুল — ছবি: Marufish (BY-SA)
আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ঘটনার সময় বাসায় ছিলাম না: গাজী নজরুল — ছবি: Marufish (BY-SA)
এক নজরে
  • গাজী নজরুলের অভিযোগের জবাব: তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা
  • নিহত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না বলে দাবি
  • সোমবার থেকেই এ বক্তব্য নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে

নিজের ও প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। নিহত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আত্মহত্যার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

বাংলা ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার তাঁর পক্ষ থেকে এ বক্তব্য দেওয়া হয়। দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনামেও একই বার্তা গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। গাজী নজরুল বলেছেন, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না; তাই তাঁর ও প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সত্য নয়।

দুটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ঘটনার কোনো বিস্তারিত তথ্য নেই। দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার সময়, স্থান ও পদ্ধতি—এসব কিছুই প্রকাশ করা হয়নি। কোনো আদালতে মামলাটি হয়েছে, জামিনের বিষয়ে আইনি লড়াই চলছে কি না—সেসব তথ্যও প্রতিবেদনে আসেনি।

সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গাজী নজরুল নিজে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। সাধারণভাবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এমন মামলায় তদন্তের অগ্রগতিই এখন মূল বিষয়। তবে তদন্ত এখন কোন পর্যায়ে আছে, তা দুই খবরেই বলা হয়নি।

ঘটনার সত্যতা প্রতিষ্ঠা ও বিচারিক প্রক্রিয়া কেমন হবে, তা নির্ভর করছে তদন্ত সংস্থার কাজের ওপর। অভিযুক্ত হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ কতটা শক্তিশালী, তা জানতে হলে আনুষ্ঠানিক মামলার নথির দিকে তাকাতে হবে। সংবাদমাধ্যমে এ পর্যন্ত যা এসেছে, তাতে বক্তব্যের ঘোষণা ছাড়া মামলার নতুন কোনো অবস্থান যুক্ত হয়নি।

বিচার প্রক্রিয়ার শুরুতে অভিযুক্তের এমন বক্তব্য সাধারণত সামনে আসে। গাজী নজরুলের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট আইনী পদক্ষেপের কোনো ঘোষণা প্রতিবেদনে নেই। সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ অপ্রচলিত নয়, তবে প্রতিটি মামলার সত্যতা আলাদা করে প্রতিষ্ঠা করতে হয়। সেই প্রক্রিয়াই এখন আইনি লড়াইয়ের কেন্দ্রে। আদালতের নির্দেশনা সামনে এলেই পরবর্তী ধাপের চিত্র স্পষ্ট হবে।

খবরটি বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।