জাতীয়যাচাই চলছে

রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন
এক নজরে
  • রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয়করণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা
  • কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘সরাসরি অর্থায়নের’ নামে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা একটি নির্দিষ্ট স্থানীয় এনজিওকে ৩৪টি প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থ দিচ্ছে
  • একই সঙ্গে একটি স্থানীয় এনজিওকে ৩৪টি প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থায়ন দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা

আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো পেয়েছে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং জাতীয় এনজিওগুলো পেয়েছে ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার(৮ অক্টোবর) কক্সবাজারে ‘গ্র্যান্ড বার্গেইন ২০২৬’-এর পর: স্থানীয়দের দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে মো. ইকবাল উদ্দিন বলেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা সাড়ার আটটি প্রধান খাতই জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে।

কোস্ট ফাউন্ডেশন, বিডিসিএসও প্রসেস এবং কক্সবাজার সিএসও, এনজিও ফোরাম যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন কক্সবাজার সিএসও, এনজিও ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

এ ছাড়া দেশের একটি নিজস্ব প্রতিষ্ঠান, যারা বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তারাও জাতীয় এনজিও হিসেবে অর্থ পাচ্ছে।

মানবিক সহায়তায় স্থানীয় ও জাতীয় সংস্থার অংশগ্রহণ, সমান অংশীদারত্ব, মানসম্মত ও নমনীয় অর্থায়ন এবং সহায়তা গ্রহণকারী মানুষের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

এতে অন্য স্থানীয় এনজিওগুলো সরাসরি অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের মো. ইকবাল উদ্দিন।

২০১৬ সালের মে মাসে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত বিশ্ব মানবিক সম্মেলনে গ্র্যান্ড বার্গেইন প্রতিশ্রুতি গৃহীত হয়।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

আরও পড়ুন