বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন নিয়ে বানিয়েছিলেন নৌযান, কক্সবাজারে ছেলেকে হারিয়ে আকাশপথে নিউজিল্যান্ডে ফিরছেন এডওয়ার্ড

- জন এডওয়ার্ড, তাঁর স্ত্রী বেলা ও ১৩ বছর বয়সী ছেলে রালফকে জীবিত উদ্ধার করা হয়
- স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কক্সবাজারে থেকে প্রায় আড়াই বছরের চেষ্টায় নৌযানটি তৈরি করেছিলেন তিনি
- আজ শুক্রবার রাতে স্ত্রী বেলা ও ছেলে রালফকে নিয়ে আকাশপথে নিউজিল্যান্ডে ফেরার কথা রয়েছে জন এডওয়ার্ডের
নিজেদের তৈরি কাঠের নৌযান ‘আইল্যান্ড গার্ল’ নিয়ে সমুদ্রপথে বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন ছিল নিউজিল্যান্ডের নাগরিক জন এডওয়ার্ড পুডনির।
চলতি বছর ২৫ আগস্ট কক্সবাজারের মহেশখালী চ্যানেলের সোনাদিয়া মোহনায় বড় ঢেউ ও তীব্র স্রোতে ডুবে যায় ‘আইল্যান্ড গার্ল’।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী কে বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে নিউজিল্যান্ড দূতাবাস এবং পরিবারের অনুমতি নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার শহরের একটি হিন্দু শ্মশানে আলবার্টের দাহকর্ম সম্পন্ন করা হয়।
‘নিরাপত্তার ঝুঁকি বিবেচনায় পরিবারটিকে সমুদ্রযাত্রা থেকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল।
’ —লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন, মিডিয়া কর্মকর্তা, কোস্টগার্ড পূর্ব জোন . কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার মাহমুদুর রহমান বলেন, নৌযানডুবির পর থেকে পরিবারের তিন সদস্যকে কক্সবাজারের পর্যটন করপোরেশনের মোটেল শৈবালে রাখা হয়েছিল।
পরিকল্পনা ছিল, এই নৌযানে করেই সমুদ্র পাড়ি দিয়ে নিজ দেশে ফিরবেন।
বাংলাদেশে নিউজিল্যান্ডের দূতাবাস না থাকায় নিকটতম শ্রীলঙ্কা দূতাবাসের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





