জাতীয়নিশ্চিত [A]

নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

1 মিনিট পাঠ
নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান — ছবি: চ্যানেল আই
নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান — ছবি: চ্যানেল আই
এক নজরে
  • ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন তিনি
  • সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও রয়েছেন
  • প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিত্বমূলক এই সফর নিয়ে আলোচনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের বহনকারী তুর্কি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ইস্তাম্বুলে এসে পৌঁছেছে।

প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের অংশ হিসেবেই ইস্তাম্বুলে এই যাত্রাবিরতি। চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যাত্রাপথে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে এসে পৌঁছেছেন তিনি ও তাঁর সফরসঙ্গীরা। এতে আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি ইস্তাম্বুলে অবতরণ করেছে। দৈনিক ইত্তেফাকের খবরেও একই তথ্য এসেছে—নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ইউএনজিএর বার্ষিক সাধারণ বিতর্কে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বনেতারা নিউইয়র্কে জড়ো হন; এ সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। ইস্তাম্বুল থেকে যাত্রাবিরতির পর প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা। বাংলাদেশের সরকারি প্রতিনিধিদলের এই অংশগ্রহণ জাতিসংঘের মূল মঞ্চে দেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ করে দেবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইউএনজিএর বার্ষিক অধিবেশন বিশ্বনেতাদের একত্রিত হওয়ার বৃহত্তম কূটনৈতিক মঞ্চ হিসেবেই পরিচিত; এখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রধানরা নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দেশের পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। যাত্রাপথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি হওয়ায় সফরসঙ্গীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। তবে এসব বিশ্লেষণ-মূল্যার্থের চেয়ে খবরটি নির্ভর করছে দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের সরাসরি প্রতিবেদনের ওপর, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত যাত্রাপথ ও যাত্রাবিরতির তথ্য স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

এই খবরটি চ্যানেল আই ও দৈনিক ইত্তেফাক—দুটি প্রতিষ্ঠিত বাংলা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।