পুনর্বাসন ছাড়া হরিজনদের উচ্ছেদ না করার দাবি ১০৮ নাগরিকের

- বিকল্প আবাসন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের মেনিয়ালস কোয়ার্টারে (সুইপার কলোনি) বসবাসরত পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হরিজন সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোকে দেওয়া উচ্ছেদ নোটিশ অবিলম্বে স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন দেশের ১০৮ নাগরিক
- এ অবস্থায় সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে উচ্ছেদ নোটিশ স্থগিতের দাবি জানান নাগরিকেরা
আজ এক যৌথ বিবৃতিতে নাগরিকেরা বলেন, ১৮৫৮ সালে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই প্রায় ১৬৮ বছর ধরে হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ এই কলোনিতে বাস করছেন এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার কাজ চালিয়ে আসছেন।
‘উচ্ছেদ সংবিধান ও মানবাধিকারের পরিপন্থী’ নাগরিকেরা বলেন, উপযুক্ত পুনর্বাসন ছাড়া এই উচ্ছেদ সংবিধান, সুপ্রিম কোর্টের নজির এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
পাশাপাশি দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া কাউকে জোর করে উচ্ছেদ করা যাবে না।
বাসিন্দাদের মধ্যে ৩১ জন সরকারি স্থায়ী কর্মী, ২৮ জন অবসরপ্রাপ্ত এবং ১৯ জন আউটসোর্সিং কর্মী।
একই সঙ্গে সারা দেশে হরিজনদের সামাজিক নিরাপত্তা, কাজ ও বাসস্থানের অধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রতিনিধিদের যুক্ত করে একটি দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি এক প্রশাসনিক নোটিশে কলোনি খালি করার চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছে।
নোটিশ পেয়ে বাসিন্দারা দেখা করতে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





