রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই: ইউএনএইচসিআরের প্রধানকে তারেক রহমান

- ইউএনএইচসিআরের প্রধানকে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
- বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে বলে উল্লেখ
- আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ
- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা
জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রধানকে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের প্রেক্ষাপটে এ কথা বলেন তিনি। খবরটি প্রকাশ করেছে বাংলা ট্রিবিউন ও প্রথম আলো।
বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে।” সংকটের স্থায়ী সমাধানে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই—এ বিষয়ে তিনি জোর দেন। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত এই জনগোষ্ঠীর প্রতি বাংলাদেশের মানবিক অবস্থানই প্রতিবেদনের মূল সুর।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থাৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান ও প্রত্যাবাসনের পথ সুগম করার বিষয়টিই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল।
দুই প্রতিবেদনেই সাক্ষাতের সময়, স্থান ও ইউএনএইচসিআর প্রধানের নাম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়নি। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা, প্রত্যাবাসনের সময়সূচি বা মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা—এসব বিষয়েও কোনো তথ্য প্রতিবেদনে ছিল না। ইউএনএইচসিআরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়। এ কারণে ছোট পরিসরের এই খবরে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানই ফুটে উঠেছে।
এই খবরটি বাংলা ট্রিবিউন ও প্রথম আলো—দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।