জাতীয়নিশ্চিত [A]

সাংবাদিক কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি, ১০ দিনের আল্টিমেটাম

1 মিনিট পাঠ
সাংবাদিক কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি, ১০ দিনের আল্টিমেটাম
এক নজরে
  • পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন
  • বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
  • দ্রুত তদন্ত করে মামলা থেকে তার নাম প্রত্যাহারের দাবি জানান ক্র্যাব নেতারা

কর্মসূচিতে ক্যাব নেতারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য ১০ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন পুলিশকে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়।

ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল বলেন, কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে সাজানো ও মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম লাবলু, সারোয়ার আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক নিহাল হাসনাইন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ মিজান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার আরিফ, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র সদস্য ইকরামুল কবির টিপু, ইসমাইল হোসেন ইমু, সাইফুল ইসলাম, নাদিয়া শারমিন, সাইফুল জুয়েল, গোলাম মোস্তফা ধ্রুব ও সুশান্ত সাহা।

একই সঙ্গে মামলায় কামরুজ্জামান খানের নাম অন্তর্ভুক্তির পেছনে যারা জড়িত, তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মামলার ঘটনার সময় কামরুজ্জামান খান ঘটনাস্থলে ছিলেন না।

এ ছাড়া ক্র্যাবের সাবেক সভাপতি এস এম আবুল হোসেন, সাবেক সহসভাপতি সাব্বির মাহমুদসহ সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মামলা দায়েরের সময় তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এ অবস্থায় কীভাবে তাকে মামলায় আসামি করা হলো, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তিনি।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।

নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 4