আন্তর্জাতিকএকক/আংশিক

জরুরি অবস্থা জারির পর খাইবার পাখতুনখাওয়ার রাজধানী পেশোয়ার হয়ে উঠেছে কনটেইনারের শহর

প্রকাশিত: 2 মিনিট পাঠ
জরুরি অবস্থা জারির পর খাইবার পাখতুনখাওয়ার রাজধানী পেশোয়ার হয়ে উঠেছে কনটেইনারের শহর
এক নজরে
  • পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশ কয়েক দশক ধরে সহিংসতার মধ্যে দিয়ে গেলেও রাজধানী পেশোয়ার বেশির ভাগ সময় রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীলই ছিল
  • ইমরানের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে পিটিআই ও পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে গতকাল রোববার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সরকার খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা এবং গভর্নরের শাসন জারির ঘোষণা দেয়
  • দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি শাসন জারির পর এই ধরপাকড় শুরু হয়েছে

‘খোঁজ নেই’ সোহেল আফ্রিদির, তিনি কি সত্যিই আটক হয়েছেন. যদিও মাত্র কয়েক দিন আগেই পিটিআইয়ের লংমার্চের কারণে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পেশোয়ারে মুঠোফোনের সেবা বন্ধ ছিল।

জরুরি শাসন জারির এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রদেশটিতে কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ করছিলেন ইমরানের সমর্থকেরা।

গতকাল রোববার প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করেন।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার কয়েক সদস্যকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে (আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে আগাম আটক) নেওয়া হয়েছে।

গতকাল রোববার খাইবার পাখতুনখাওয়ার রাজধানী পেশোয়ারে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে তাঁদের আটক করা হয় বলে জানান তালাল চৌধুরী।

আগের দিন গত শনিবার দিবাগত রাতে পেশোয়ারে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নেমেছিল।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ৪ অক্টোবর থেকে এ লংমার্চ শুরু হয়েছে।

জরুরি শাসন জারি এবং প্রাদেশিক সরকার স্থগিত করার মধ্য দিয়ে ৭৪ বছর বয়সী সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খানের সঙ্গে পাকিস্তানের শক্তিশালী সামরিক প্রতিষ্ঠানের বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে।

খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের ক্ষমতায় রয়েছে ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকার।

সংবিধানের নিরাপত্তাসংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদের আওতায় এ জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

ফিরদৌস চকে শিপিং কনটেইনার রেখে জিটি রোডও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দলটির অভিযোগ, ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে সমর্থকেরা যেন ইসলামাবাদ অভিমুখে পদযাত্রা করতে না পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইমরান খানের সহযোগী শওকত ইউসুফজাই পিটিআইয়ের নেতা–কর্মীদের ধড়পাকড়ের নিন্দা জানিয়েছেন।

এ থেকে বোঝা যায় যে ইসলামাবাদ ও পেশোয়ারের মধ্যে সামান্য হলেও একধরনের বোঝাপড়া ছিল।

মুঠোফোনে কোনো সিগন্যাল নেই, আসন্ন বিপদের ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট।

লংমার্চের গন্তব্য রাজধানী ইসলামাবাদ, যদিও বিক্ষোভ মিছিল এখনো প্রদেশের সীমানা অতিক্রম করেনি।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ডনের এক প্রতিনিধি গতকাল সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকার পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন।

কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, আফগানিস্তান সীমান্তঘেঁষা এই প্রদেশে ইসলামপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা দমনে প্রাদেশিক সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

আটক ব্যক্তিদের কারও বিরুদ্ধে বিচারযোগ্য মামলা পাওয়া গেলে অভিযোগ গঠন করে বিচার করা হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্মকর্তারা বলেছেন, বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘিরে রেখেছে।

বিভিন্ন জায়গায় শিপিং কনটেইনার বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।