অবশেষে ছাড়া পেলেন অভিজিৎ দিপকে, নেহা বোরা

- আটকের পর মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা
- ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা প্রতিবাদে আইসা, এসএফআই এবং কেওয়াইএস-এর মতো বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এক হয়ে রাস্তায় নেমেছিল
- পরিস্থিতি সামলাতে পুরো দিল্লিতে প্রায় ৩০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছিল
মণিপুরে ফের সহিংসতায় নিহত ৯, নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা ‘যুক্তরাষ্ট্র তো কাছেই ঘেঁষতে দেয় না’, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান নিয়ে আক্ষেপ ভারতের ৪০ হাজার বাহিনী নামিয়েও আটকানো গেল না ককরোচের, চাপে মোদি সরকার ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানী দিল্লি ছিল চরম উত্তাল।
এসএফআই অভিযোগ করেছে, প্রিজন ভ্যানের ভেতর পুলিশ তাদের কর্মীদের বেধড়ক পিটিয়েছে।
এমনকি সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসকে মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল বলেও সংগঠনটি দাবি করেছে।
আটকের পরই প্রিজন ভ্যানের ভেতর থেকে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে মারাত্মক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সিপিআই(এম)-এর সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসও ছিলেন।
ভোটার তালিকায় বিভিন্ন জালিয়াতি ও নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ চলছিল।
আন্দোলনের চলাকালে ছাত্র সংগঠন আইসা-র সভাপতি নেহা বোরাকে আবারও আটক করেছে পুলিশ।
আন্দোলনকারীরা বিজয় চক থেকে যন্তর মন্তরের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।
বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের তুমুল ধস্তাধস্তির পর নেহা বোরাসহ অনেককে ধরে নিয়ে ভ্যানে তোলা হয়।
বাসের ভেতর এতটাই গাদাগাদি অবস্থা যে সাধারণ মানুষ বা আন্দোলনকারীদের নিঃশ্বাস নেওয়ার মতো জায়গা নেই।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- যুগান্তর-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ jugantor





