দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা, বিক্ষোভ ঘিরে কী কী বন্ধ, কী কী খোলা

- যন্তর মন্তরে কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আজ শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ
- কী কী খোলা থাকছে নয়াদিল্লি মেট্রো রেলস্টেশন ছাড়া সংশ্লিষ্ট অন্য মেট্রো স্টেশনগুলোয় যাত্রীদের এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার সুবিধা চালু থাকবে
- রেলযাত্রীদের জন্য বিকল্প যেসব যাত্রীর ট্রেনযাত্রা বাতিল হয়েছে, তাঁরা ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম করপোরেশনের (আইআরসিটিসি) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিটের টাকা ফেরত চাইতে পারবেন
পাশাপাশি, যানজটের আশঙ্কায় ভোর ৪টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত টানা ১০ ঘণ্টা নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ভারতের রেল কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ বলেছে, নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার অংশ হিসেবে এসব জেলা থেকে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ জন ‘অপরাধী’কে আটক করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দিল্লির ১৫টি জেলা থেকে অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা বেশ কিছু ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
বিক্ষোভস্থলে বড় দলকে পৌঁছাতে বাধা দেওয়ার লক্ষ্যেই কয়েকটি মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে যাঁরা এ কর্মসূচিতে লোক জড়ো করতে কিংবা সাধারণ মানুষকে অংশ নিতে প্ররোচিত করতে পারেন, এমন কিছু ব্যক্তির গতিবিধির ওপরও কড়া নজর রাখছে পুলিশ।
দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশনের (ডিএমআরসি) তালিকায় নেই, এমন স্টেশনগুলোয় এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
সেখান থেকে বাস, ট্যাক্সি বা অটোরিকশায় গন্তব্যে যাওয়া যাবে।
মেট্রো স্টেশনগুলো আবার চালু হওয়ার বিষয়ে ডিএমআরসির আনুষ্ঠানিক যোগাযোগমাধ্যমে হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





