মাছি মারতে হাতুড়ি চালানো যায় না: কেন বললেন ভারতের প্রধান বিচারপতি

- কপিল সিব্বাল, গোপাল শংকরানারায়ণ, অভিষেক মনু সিংভি, বৃন্দা গ্রোভার, এন হরিহরণ, প্রশান্ত ভূষণদের মতো বিশিষ্ট আইনজীবীদের সওয়ালের পর প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ আজ শুক্রবার দিল্লির জনজীবন সচল রাখতে এই নির্দেশ দেন
- ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও এসআইআর বাতিলের দাবিতে যন্তর মন্তর ২.০ অভিযান রুখতে কার্যত দিল্লি বনধের ঘোষণায় বাদ সাধলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
- আদালত বলেন, আন্দোলন রুখতে দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা মানা যায় না
শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে বলেন, মাছি মারতে হাতুড়ি চালানো যায় না।
প্রধান বিচারপতি এ–ও নির্দেশ দিয়েছেন, যন্তর মন্তর যদি বিক্ষোভ দেখানোর উপযুক্ত স্থান না হয়, তা হলে সরকারকে অন্য কোনো এলাকা উপযুক্ত হিসেবে নির্ধারণ করতে হবে, যেখানে সব ধরনের নাগরিক সুবিধা থাকবে।
জ্ঞানেশের অপসারণ ও এসআইআর বাতিলের দাবিতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র পাশাপাশি আন্দোলন চালাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি)।
সিজেপির ওই আন্দোলনে শরিক হতে জার্মানি থেকে ভারতে এসেছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি।
দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা হয়।
দিল্লির রেলস্টেশনগুলোতে আগামীকাল ১০ ঘণ্টা কোনো ট্রেন যাওয়া–আসা করবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।
দেশের অন্যত্র ব্যাপক ধরপাকড় করে হাজার হাজার তরুণকে আটক করা হয়েছে।
সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বেঞ্চকে জানান, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত এলাকা বিবেচনা করে দেখবে।
নাগরিক সমাজের বহু মানুষ, বিভিন্ন বামপন্থী ছাত্রসংগঠন, আম আদমি পার্টি এবং একাধিক বেসরকারি সংগঠন এই আন্দোলনের শরিক।
ট্রেন চলাচল কিংবা শহরের অভ্যন্তরে যান চলাচল এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষকে অসুবিধায় পড়তে না হয়।
শনিবারের এই অভিযান রুখতে কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লির পুলিশ প্রশাসন একগুচ্ছ ব্যবস্থা নেয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





