নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণ মূল্যায়নে নতুন কাঠামো আনছে বিশ্বব্যাংক–আইএমএফ

- নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণ মূল্যায়নের কাঠামোতে পরিবর্তন আনছে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ
- ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে কার্যকর হবে নতুন কাঠামো
- বৈশ্বিক ঝুঁকি, ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি ও ঋণের উৎসে পরিবর্তন বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে
নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণ পরিস্থিতি মূল্যায়নে নতুন কাঠামো আনছে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন এই কাঠামো কার্যকর হবে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি, ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং ঋণের উৎসে পরিবর্তন — এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই বিদ্যমান কাঠামোতে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে দুই সংস্থা। নিম্ন আয়ের দেশগুলোয় ঋণের বোঝা ক্রমাগত বাড়ছে এবং উন্নয়ন অর্থায়নের চিত্রও বদলে যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে ঋণ দীর্ঘমেয়াদে টেকসই কিনা, তা আরও সংবেদনশীলভাবে যাচাইয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে বলে প্রতিবেদনগুলোয় ইঙ্গিত রয়েছে।
নতুন কাঠামোয় ঋণের ঝুঁকি কিভাবে নির্ধারণ করা হবে এবং কোন কোন সূচক যুক্ত হচ্ছে—স্বাধীনভাবে এই বিশদ এখনো প্রকাশ হয়নি। দুই প্রতিবেদনেই মূল উদ্যোগের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে নির্দিষ্ট সূচকের তালিকা বা দেশভিত্তিক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ঋণের উৎস এখন অনেকাংশে বহুমুখী—বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক ঋণদাতা থেকে শুরু করে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পরিবর্তনগুলোকে সঠিকভাবে ধরা নিয়েই কাঠামো সংস্কারের প্রচেষ্টা বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
নতুন কাঠামো চালুর আগ পর্যন্ত নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রক্রিয়াই প্রযোজ্য থাকবে। কোন দেশের ঋণ কোন পর্যায়ে রয়েছে এবং কোন ঝুঁকি মাত্রা ধরা হচ্ছে—এসবের সুস্পষ্ট চিত্র কাঠামোটি চালু হলে পরিষ্কার হবে। ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হলেও ঠিক কবে থেকে কিভাবে বাস্তবায়ন হবে, সে ঘোষণা এখনো আসেনি। যতটুকু নিশ্চিত, তা হলো—বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণ মূল্যায়নে নতুন কাঠামো আনতে যাচ্ছে এবং তা ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে কার্যকর হবে।
এই খবরটি প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউন—দুটি প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।