অর্থনীতিযাচাই চলছে

যুক্তরাষ্ট্রকে কর ও ব্যয়নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে: আইএমএফ

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
যুক্তরাষ্ট্রকে কর ও ব্যয়নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে: আইএমএফ
এক নজরে
  • জর্জিয়েভা বলেন, চীনকে অভ্যন্তরীণ ব্যয় বাড়াতে হবে, যুক্তরাষ্ট্রকে সঞ্চয় বাড়াতে হবে এবং ইউরোপকে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে বিনিয়োগ করতে হবে
  • যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও দেশটির ঋণ ও বাজেট ঘাটতি টেকসই পর্যায়ে আনার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছেন
  • জর্জিয়েভা বলেন, শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ কমাতে সহায়তা করলেও তা দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় সমন্বয় সম্ভব নয়

যুক্তরাষ্ট্রকে সরকারি ঋণ ও বাজেট ঘাটতি কমাতে কর ও ব্যয়নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় এসব কথা বলেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।

সংস্থাটির রাজস্ববিষয়ক বিভাগের প্রধান রদ্রিগো ভালদেস বলেন, বন্ডের সুদহার বাড়ায় সরকারগুলোর আর্থিক সক্ষমতা সংকুচিত হচ্ছে।

উচ্চ ঋণ ও ঋণ পরিশোধের ব্যয় বৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

চীনের রেকর্ড বাণিজ্য উদ্বৃত্তের সম্ভাবনার মধ্যে দেশটিকে রপ্তানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন আইএমএফপ্রধান।

দেশটিতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার জোরালো হওয়ায় তিনি অভ্যন্তরীণ কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন।

বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির দেশকে এ পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

আইএমএফের বুধবার প্রকাশিত ‘ফিসকাল মনিটর’ প্রতিবেদনেও দ্রুত ঋণ নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জর্জিয়েভা বলেন, অতিরিক্ত ঋণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ব্যাংককের বার্ষিক সভায় অংশ নিচ্ছেন না।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।